বিগবস সিজন ১৩-এর 'মোস্ট এগ্রেসিভ ম্যান', রইল সিদ্ধার্থ সম্পর্কে ১০ অজানা তথ্য

First Published 16, Feb 2020, 11:01 AM IST

বিগবস সিজেন ১৩-এর বিজয়ী এবং এই পর্বের অন্যতম এক জনপ্রিয় প্রতিযোগী ছিলেন সিদ্ধার্থ শুক্লা।  'দিল সে দিল তক' জনপ্রিয় ধারাবাহিকের শীর্ষ চরিত্রে তাঁকে দেখা গেলেও বেশ কিছুদিন যাবৎ তিনি ছিলেন লাইমলাইটের আড়ালেই। তবে  বিতর্কিত রিয়েলিটি শো, বিগ বসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি আবার লাইমলাইটের অন্যতম চর্চিত সেলেব হয়ে ওঠেন রাতারাতি। বিগবস হাউসে অন্যান্য  প্রতিযোগীদের সঙ্গে তাঁর বিতর্কিত সম্পর্ক, বিশেষত রেশমি দেশাইয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ফাটল নজর কাড়ে দর্শকদের।

টেলি দুনিয়ায় সিদ্ধার্থ ২০০৮ সালে তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। ১৯৮০ সালে ১০ ডিসেম্বর মুম্বইতে জন্মেছিলেন সিদ্ধার্থ। উত্তরপ্রদেশের দম্পতি অশোক শুক্লা ও রিতা শুক্লার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। খুব ছোট বয়সেই বাবাকে হারান সিদ্ধার্থ তাই তার জীবন এতটাও সহজ ছিল না। প্রচুর বাধা বিপত্তি কাটিয়ে তিনি সফলতার শীর্ষে পৌঁছন।

টেলি দুনিয়ায় সিদ্ধার্থ ২০০৮ সালে তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। ১৯৮০ সালে ১০ ডিসেম্বর মুম্বইতে জন্মেছিলেন সিদ্ধার্থ। উত্তরপ্রদেশের দম্পতি অশোক শুক্লা ও রিতা শুক্লার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। খুব ছোট বয়সেই বাবাকে হারান সিদ্ধার্থ তাই তার জীবন এতটাও সহজ ছিল না। প্রচুর বাধা বিপত্তি কাটিয়ে তিনি সফলতার শীর্ষে পৌঁছন।

৩ ভাই-বোনের মধ্যে সিদ্ধার্থ সব থেকে ছোট। তিনি ছাড়া তাঁর রয়েছে দুই বড় দিদি। সেন্টজেভিয়ার্স থেকে পড়াশুনো করেন তিনি। স্কুলে থাকাকালীন তিনি স্কুলের ফুটবল ও টেনিস দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি রচনা ইন্টেরিওর স্কুল থেকে ইন্টেরিওর ডিজাইনের উপর কোর্সও করেছেন।

৩ ভাই-বোনের মধ্যে সিদ্ধার্থ সব থেকে ছোট। তিনি ছাড়া তাঁর রয়েছে দুই বড় দিদি। সেন্টজেভিয়ার্স থেকে পড়াশুনো করেন তিনি। স্কুলে থাকাকালীন তিনি স্কুলের ফুটবল ও টেনিস দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি রচনা ইন্টেরিওর স্কুল থেকে ইন্টেরিওর ডিজাইনের উপর কোর্সও করেছেন।

টেলি দুনিয়ায় পা রাখার আগে প্রচুর মডেলিং সংস্থার সঙ্গে কাজ করেছেন সিদ্ধার্থ।  ২০০৪ সালে গ্ল্যাডব়্যাগস ম্যানহান্ট-এও প্রতিযোগী ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয় ২০০৫ সালে টার্কি-তে অনুষ্ঠিত এক মডেল শো-তে বিশ্বসেরা মডেল খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। প্রথম এশিয়ান মডেল হিসেবে তিনিই প্রথম সেই সেরার শিরোপা অর্জন করেন। ৪০ জন এশিয়ান, ইউরোপিয়ান এবং লাতিন আমেরিকান মডেলদের হারিয়ে বিশ্বসেরা মডেল খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

টেলি দুনিয়ায় পা রাখার আগে প্রচুর মডেলিং সংস্থার সঙ্গে কাজ করেছেন সিদ্ধার্থ। ২০০৪ সালে গ্ল্যাডব়্যাগস ম্যানহান্ট-এও প্রতিযোগী ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয় ২০০৫ সালে টার্কি-তে অনুষ্ঠিত এক মডেল শো-তে বিশ্বসেরা মডেল খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। প্রথম এশিয়ান মডেল হিসেবে তিনিই প্রথম সেই সেরার শিরোপা অর্জন করেন। ৪০ জন এশিয়ান, ইউরোপিয়ান এবং লাতিন আমেরিকান মডেলদের হারিয়ে বিশ্বসেরা মডেল খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

সেই অনুষ্ঠানে জয়ী হয়ে তিনি বলেছিলেন, "দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরে তিনি গর্বিত। সেই অনুষ্ঠানে প্রতিটি ব্যক্তি আমাকে সিদ্ধার্থ হিসেবে নয় 'ইন্ডিয়ান বয়' বলে ডাকতেন। টার্কিতে সেটাই ছিল আমার পরিচয়। আর সেই মুহূর্তটা আমার জীবনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর সবথেকে গর্ববোধ তখন হয়েছিল যখন আমি বিদেশের মাটিতে আমার দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পেরেছি।"

সেই অনুষ্ঠানে জয়ী হয়ে তিনি বলেছিলেন, "দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরে তিনি গর্বিত। সেই অনুষ্ঠানে প্রতিটি ব্যক্তি আমাকে সিদ্ধার্থ হিসেবে নয় 'ইন্ডিয়ান বয়' বলে ডাকতেন। টার্কিতে সেটাই ছিল আমার পরিচয়। আর সেই মুহূর্তটা আমার জীবনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আর সবথেকে গর্ববোধ তখন হয়েছিল যখন আমি বিদেশের মাটিতে আমার দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পেরেছি।"

এরপর প্রথম টেলিভিশনে তাঁর মুখ দেখা যায় ফেয়ার এন্ড লাভলি-এর এক বিজ্ঞাপনে। এর থেকেই শুরু হয় ধারাবাহিকের কাজ। তাঁর অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক "বাবুল কা আঙ্গণ ছুটে না"। সেখানে শুভ রানাওয়াত নামক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করে নেন।

এরপর প্রথম টেলিভিশনে তাঁর মুখ দেখা যায় ফেয়ার এন্ড লাভলি-এর এক বিজ্ঞাপনে। এর থেকেই শুরু হয় ধারাবাহিকের কাজ। তাঁর অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক "বাবুল কা আঙ্গণ ছুটে না"। সেখানে শুভ রানাওয়াত নামক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করে নেন।

এরপর ২০১৩ সালে 'ঝলক দিখ লা যা' নামক এক ডান্স রিয়ালিটি শো-তে অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়। সেখ সো-এর ১১তম সপ্তাহে তিনি এলিমিনেট হয়ে যান।

এরপর ২০১৩ সালে 'ঝলক দিখ লা যা' নামক এক ডান্স রিয়ালিটি শো-তে অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়। সেখ সো-এর ১১তম সপ্তাহে তিনি এলিমিনেট হয়ে যান।

২০১৪ সালে বলিউড ছবিতে কাজের প্রথম সুযোগ পান সিদ্ধার্থ। 'হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া' নামক ছবিতে আলিয়ার বিপরীতে কাজ করেন তিনি। এরপর পর পর ৩টি ধার্মা প্রোকাডশন হাউসের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

২০১৪ সালে বলিউড ছবিতে কাজের প্রথম সুযোগ পান সিদ্ধার্থ। 'হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া' নামক ছবিতে আলিয়ার বিপরীতে কাজ করেন তিনি। এরপর পর পর ৩টি ধার্মা প্রোকাডশন হাউসের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

একই বছরে সাবধান ইন্ডিয়া নামক এক ক্রাইম শোতেও হোস্ট হিসেবে কাজ করেছেন সিদ্ধার্থ শুক্লা।

একই বছরে সাবধান ইন্ডিয়া নামক এক ক্রাইম শোতেও হোস্ট হিসেবে কাজ করেছেন সিদ্ধার্থ শুক্লা।

২০১৬ সালে ফিয়ার ফ্যাক্টর নামক এক রিয়ালিটি শো-তে অংশগ্রহণ করেন তিনি। সেই শোয়েরও বিজয়ী ছিলেন তিনি। সেই বছরই ভারতী সিং-এর সঙ্গে ইন্ডিয়া গট ট্যালেন্ট শো হোস্ট করেছেন তিনি।

২০১৬ সালে ফিয়ার ফ্যাক্টর নামক এক রিয়ালিটি শো-তে অংশগ্রহণ করেন তিনি। সেই শোয়েরও বিজয়ী ছিলেন তিনি। সেই বছরই ভারতী সিং-এর সঙ্গে ইন্ডিয়া গট ট্যালেন্ট শো হোস্ট করেছেন তিনি।

এরপরেই লাইমলাটের থেকে কিছুটা সময় দূরে চলে যান। আবারও ফিরে আসেন বিগবস সিজন ১৩-এর হাত ধরে। এখানে আসার পর আবারও লাইমলাইটে ফিরে আসেন তিনি। বিগবস১৩ হাউসের সমস্ত প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে জিতে ফেলেন বিগবস১৩ সেরা শিরোপা। আর জিতে নেন ৪০ লক্ষ টাকা পুরষ্কার মূল্য।

এরপরেই লাইমলাটের থেকে কিছুটা সময় দূরে চলে যান। আবারও ফিরে আসেন বিগবস সিজন ১৩-এর হাত ধরে। এখানে আসার পর আবারও লাইমলাইটে ফিরে আসেন তিনি। বিগবস১৩ হাউসের সমস্ত প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে জিতে ফেলেন বিগবস১৩ সেরা শিরোপা। আর জিতে নেন ৪০ লক্ষ টাকা পুরষ্কার মূল্য।

loader