18

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা প্রত্যেকের। একটানা ১০-১২ ঘন্টা বসে কাজ করে চলেছেন। ঘড়ি কাটার নিজের নিয়মে চলেই যাচ্ছে, আপনার সেদিকে কোনও খেয়াল নেই।  যদি সমস্যাটা আপনার বা আমার একার নন, গোটা বিশ্বের মানুষই এই সমস্যায় জর্জরিত। 

Subscribe to get breaking news alerts

28


বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,  দিনের প্রায় ১১ ঘন্টা বসে কাজ করতে গিয়েই বাড়ছে বাতের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, গ্যাসের মতোন সমস্যা। আর তার পাশাপাশি বাড়ছে মানসিক অবসাদ।

38

গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন। আর তার একটি কারনই হল এই এত ঘন্টা বসে থাকা। ব্যথা হলেই ওষুধ গিলছেন গোগ্রাসে। কিন্তু কখনও কী ভেবে দেখেছেন এই গ্যাসের সমস্যার জন্য বেশিরভাগ দায়ী আমরা নিজেরাই। নিজেদের ভুলের জন্য এই সমস্যায় আমরা ভুগে থাকি। 

48

বিরামহীন ভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় বসে কাজ করে যাওয়ার ফলে এক বছরে অন্তত কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে। আর করোনাকালে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের দৌলতে সেই সংখ্যাটা একলাফে দ্বিগুণ বেড়েছে।

58

প্রতি সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বলেই দাবি স্বাস্থ্য দফতরের ডিরেক্টর মারিয়া নীরার। গবেষণায় তাঁরা আরও দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি কাজ করেন তাদের মধ্যে ৭২ শতাংশ মানুষই পুরুষ । যার মধ্যে মধ্যবয়সী ব্যক্তিরা বেশি রয়েছেন।

68

১৯৪ টি দেশের কর্মরত নাগরিকদের উপর গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে কাজ করলে একজন ব্যক্তির স্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে ৩৫ শতাংশ এবং ৩৫ থেকে ৪০ ঘণ্টা কাজ করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে ১৭ শতাংশ।
 

78

প্রথমত, একটানা ১০-১২ ঘন্টা চেয়ারে বসা যাবে না। কাজের ফাঁকে ফাঁকে হাঁটা ভীষণই জরুরি।একটানা বসে থাকতে থাকতে হাঁটুর সমস্যাও বাড়ে। দীর্ঘদিন এই সমস্যায় ভুগতে থাকলে তা ক্রমশ আরও জটিল হবে। 

88

এই বসে কাজ করতে গিয়েই মৃত্যুর একধাপ এগিয়ে যাচ্ছেন আপনি। নিজের অজান্তে কীভাবে বিপদ ডেকে আনছেন জানেন, সতর্ক না হলেই চরম দুর্দশা নেমে আসতে পারে আপনার জীবনে।