বিড়ালের জিনেই লুকিয়ে ক্যানসার মুক্তির চাবিকাঠি! মারণরোগের সঙ্গে লড়াইয়ে মানুষকে বাঁচানোর পথ দেখাতে পারে বিড়াল। নতুন গবেষণার পথে কেম্ব্রিজ বিজ্ঞানীরা।
ক্যানসার গবেষণায় এক বৈপ্লবিক মোড় নিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা, যেখানে মানুষের ক্যানসার নিরাময়ের সূত্র খুঁজতে বিড়ালের জিনগত ও টিউমারের তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের প্রায় ১৩ ধরনের ক্যানসারের জিনের সাথে বিড়ালের জিনগত মিল রয়েছে এবং উভয়ের শরীরেই ক্যানসার জিনে একই ধরনের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে স্তন ক্যানসার ও টিউমারের চিকিৎসায় এই গবেষণা নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।
গবেষণার বিস্তারিত দিকসমূহ:
* জিনগত মিল: মানুষের ক্যানসার-চালনাকারী জিনগুলির সাথে বিড়ালের জিনের ব্যাপক সাদৃশ্য পাওয়া গেছে, যা গবেষণাকে আরও সুনির্দিষ্ট করে তুলেছে।
* ক্যানসারের ধরন: ব্লাড ক্যানসার, ফুসফুস, ত্বক, হাড়ের টিউমার এবং সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের টিউমারের মত ক্ষেত্রে বিড়াল এবং মানুষের ক্যানসারের মধ্যে অবাক করা সমান্তরাল বা মিল খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা।
* নতুন ওষুধ ও চিকিৎসা: ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এর গবেষণায়, স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমার (Squamous Cell Carcinoma) চিকিৎসায় একটি নতুন ড্রাগের ব্যবহার দেখা গেছে, যা বিড়ালের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে সফল হয়েছে এবং মানুষের ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে।
* স্তন ক্যানসার গবেষণা: প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যানসার নিয়ে এই গবেষণা বিশেষ জোর দিচ্ছে, কারণ বিড়ালের শরীরে এর প্রবণতা ও প্রকৃতির সাথে মানুষের অনেক মিল আছে।
এই গবেষণা সফল হলে ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


