দীর্ঘ সময় অবধি হেডফোন ব্যবহার করেন, জেনে নিন কি ক্ষতি করছেন নিজের

First Published 11, Mar 2020, 5:38 PM IST

বর্তমান দিনে হেডফোন ছাড়া বাইরে বেড়োন দায়। সারাদিন অফিসের খাটুনির পর একটু রিফ্রেস হওয়ার জন্য বাড়ি ফেরার আগে অবধি আমরা প্রায় বেশিরভাগই হেডফোন ব্যবহার করি গান শোনা বা ভিডিও দেখার জন্য। এমন অভ্যাস যদি আপনার থেকে থাকে তবে আপনি নিজেই নিজের কত বড় ক্ষতি করছেন জেনে নিন। 

আমরা প্রায় বেশিরভাগই হেডফোন ব্যবহার করি গান শোনা বা ভিডিও দেখার জন্য। এমন অভ্যাস যদি আপনার থেকে থাকে তবে আপনি নিজেই নিজের কত বড় ক্ষতি করছেন কারণটা হল, দীর্ঘ সময় ধরে হেডফোন ব্যবহারের ফলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা।

আমরা প্রায় বেশিরভাগই হেডফোন ব্যবহার করি গান শোনা বা ভিডিও দেখার জন্য। এমন অভ্যাস যদি আপনার থেকে থাকে তবে আপনি নিজেই নিজের কত বড় ক্ষতি করছেন কারণটা হল, দীর্ঘ সময় ধরে হেডফোন ব্যবহারের ফলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা।

৯০ ডেসিবেল বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে লেগে হতে পারে কানের সমস্যা।

৯০ ডেসিবেল বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে লেগে হতে পারে কানের সমস্যা।

হাই ভলিউমে কখনই হেডফোন ব্যবহার করবেন না। এমনকি আপনি হারিয়ে ফেলতে পারেন শ্রবণ শক্তিও।

হাই ভলিউমে কখনই হেডফোন ব্যবহার করবেন না। এমনকি আপনি হারিয়ে ফেলতে পারেন শ্রবণ শক্তিও।

বেশি সময় ধরে হেডফোন ব্যবহার করলে লক্ষ্য করবেন কানে খুব ব্যাথা করে।

বেশি সময় ধরে হেডফোন ব্যবহার করলে লক্ষ্য করবেন কানে খুব ব্যাথা করে।

দীর্ঘ সময় ধরে হেডফোন ব্যবহার করলে যেহেতু কানে বাতাস প্রবেশ করতে পারে না সেই কারনেই সাউন্ড কোয়ালিটি খুব হাই বলে মনে হয়।

দীর্ঘ সময় ধরে হেডফোন ব্যবহার করলে যেহেতু কানে বাতাস প্রবেশ করতে পারে না সেই কারনেই সাউন্ড কোয়ালিটি খুব হাই বলে মনে হয়।

এই ধরণের হেডফোন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে অনেক সময় ধরে হাই ভলিউমে গান শুনলে, অনেকক্ষন কানে কিছু শোনা যায় না।

এই ধরণের হেডফোন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে অনেক সময় ধরে হাই ভলিউমে গান শুনলে, অনেকক্ষন কানে কিছু শোনা যায় না।

১০০ ডেসিবেলে টানা ১৫ মিনিট গান শুনলে চিরতরে বধির হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১০০ ডেসিবেলে টানা ১৫ মিনিট গান শুনলে চিরতরে বধির হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

হেডফোন থেকে যে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয় সেটি মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

হেডফোন থেকে যে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয় সেটি মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এই কারণে ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহারকারীদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই হেড ফোন কেনার আগে সতর্ক হন। সুস্থ থাকতে বুঝে হেডফোন ব্যবহার করুন।

এই কারণে ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহারকারীদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই হেড ফোন কেনার আগে সতর্ক হন। সুস্থ থাকতে বুঝে হেডফোন ব্যবহার করুন।

loader