বর্তমানে আর পাঁচটা সাধারণ সমস্যার মত ফ্যাটি লিভার একটি। তবে এই শারীরিক সমস্যাকে সাধারণ ভাবাটাই ভুল। এই সমস্যা মোটেও সাধারণ সমস্যা নয়। ফ্যাটি লিভারের মত সমস্যায় সতর্ক না হলে ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে লিভার সিরোসিসের মত মারাত্মক সমস্যাও। অস্বাস্থ্যকর ডায়েট, অনিয়মিত লাইফস্টাইলের কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। তাই লিভারের প্রাথমিক সমস্যা দেখা দিলে উপযুক্ত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন। তার আগেও জেনে নেওয়া প্রয়োজন আপনি ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত কি না।

আরও পড়ুন- ত্বকের অবাঞ্ছিত দাগ-ছোপ নিয়ে আর চিন্তা নয়, কাজে লাগান অব্যর্থ এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি

ক্রমাগত বাড়তে থাকা পেটের মেদ বা ভুঁড়ির সমস্যা বাড়তে থাকলে দ্রুত লিভারের পরীক্ষা করিয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। কারণ প্রথম দিকে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে তা প্রকাশ পায় না। যখন এই সমস্যাটি ক্রমশ জটিল পর্যায়ে এই সমস্যা ধরা পড়ে। এই কারণেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যাকে বলা হয় সাইলেন্ট কিলার। এই সময় লিভার অনজাইমের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এমনকী এই এই সমস্যা মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস অবধি হতে পারে। 

আরও পড়ুন- মাত্র ৫ মিনিটের চার্জে টানা ৫ ঘন্টা কলিং, এক নজরে দেখে নিন Oppo F19 অন্যান্য স্পেসিফিকেশন 

 জেনে নেওয়া যাক এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলি-

১) ত্বক অস্বাভাবিকভাবে শুষ্ক হয়ে আসা অথবা ত্বকে ছোপ দেখা দেওয়া, এমন অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত লিভার পরীক্ষা করান।
২) প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ হলে সেটি ফ্যাটি লিভারের প্রথমিক উপসর্গ বলে মনে করা হয়।
৩) এছাড়া অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ, অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠা, সারাদিন ক্লান্ত লাগার সমস্যা ফ্যাটি লিভারের সমস্যার প্রথমিক লক্ষণ হতে পারে।
৪) মাঝে মধ্যেই অকারণে পেটে ব্যাথা হলে তা এই সমস্যার প্রাথমিক উপসর্গ  বলে মনে করা হয়
৫) এই রোগে অনেক সময় জন্ডিসের মতো চোখের সাদা অংশ হলুদ হওয়ার লক্ষণও দেখা দিতে পারে।
৬) লিভারের এই সমস্যাগুলি দেখা দিলে চেহারায় বয়সের ছাপ ও পেশী ক্ষয়ের মত সমস্যাও দেখা দিতে পারে।