আমাদের জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাসের যে গতিতে পরিবর্তন এসেছে তা এই জাতীয় রোগের বৃদ্ধির একটি বড় কারণ। এখানে জেনে নিন, কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রতিটি নারীই স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারেন... 

মহিলাদের ক্যান্সারের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের সংখ্যা বেশি। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয়ে যায় যে স্তন বাদ দিতে বাধ্য হন চিকিৎসকরা। যে কোনও নারীর পক্ষে এই সত্য মেনে নেওয়া কতটা বেদনাদায়ক হতে পারে তা আমরা সবাই বুঝতে পারি। তবে, আমাদের জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাসের যে গতিতে পরিবর্তন এসেছে তা এই জাতীয় রোগের বৃদ্ধির একটি বড় কারণ। এখানে জেনে নিন, কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রতিটি নারীই স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারেন...

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পারিবারিক ইতিহাস-
আতঙ্কিত হবেন না তবে সচেতন হতে হবে, পরিবারের স্বাস্থ্যের ইতিহাসও জানা উচিত। যাতে পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করে নিজেকে এবং পরিবারকে প্রাণঘাতী রোগ থেকে বাঁচাতে পারেন। ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে আগামী সময়ে অন্য কেউ এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই সুরক্ষার প্রয়োজন।

ক্রমবর্ধমান মেদ বাড়লে সচেতন হোন-
সাধারণত মানুষ এটা বিশ্বাস না করলেও শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদও ক্যানসারের বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ওজন বৃদ্ধি এবং শারীরিক পরিবর্তন, বিশেষ করে মেনোপজের পরে, মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের সমস্যা শুরু করতে পারে। তাই রুটিন এবং শরীরও বজায় রাখুন।

এই অভ্যাস ত্যাগ করুন-
ধূমপান করা উচিত নয়, সে নারী হোক বা পুরুষ। কারণ এটি একটি মারাত্মক নেশা। কিন্তু সাধারণত যখনই নারীদের ধূমপান ছাড়ার বিষয়টি জোরদার হয়, তখনই নারী শক্তির নামে প্রতিবাদের পতাকা তুলতে থাকে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ। ধূমপান ছাড়ার কারণ আপনি একজন নারী নয় বরং শারীরিক গঠন। যে সব মহিলারা ধূমপান করেন এবং ঘন ঘন অ্যালকোহল পান করেন, তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন- ত্বকের লাবণ্য বজায় রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন এগুলি, জেনে নিন খাওয়ার পদ্ধতি

আরও পড়ুন- আপনার হার্ট কতটা সুস্থ, ঘরে বসেই জেনে নিন এই পরীক্ষার মাধ্যমে

আরও পড়ুন- সব সময় স্পাইসি খাবার খেতে ইচ্ছে করে, তবে জেনে নিন এর আসল কারণ

ফাইবার খাওয়া-
ফাইবার খাওয়া পরিমাণ বাড়ান, ঘুমানোর সময় এবং ঘুম থেকে ওঠার সময় ঠিক রেখে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফাইবার অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনি দিনে যা খান তার ৩০ শতাংশ ফাইবার হওয়া উচিত। এতে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।