মহারাষ্ট্রে দেখা মিলল আরও ২ করোনা আক্রান্তের। ফলে রাজ্যে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হল ১৯। আর দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা  বেড়ে দাঁড়াল ১৯ । এছাড়াও ৪০০০ মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণে। তবে দেশে এখনও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা জারির মত পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে অভয় দিচ্ছে কেন্দ্রের একাধিক মন্ত্রক।

বর্তমানে গোটা দেশে ৫২টি কেন্দ্র চলছে কোভিড-১৯ ভাইরাসের পরীক্ষা। খুব শীগ্রই সেই সংখ্যাটা বেড়ে ৬৫ হতে চলেছে। এখনও পর্যন্ত  মোট ৬,৭০০ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চের  ডক্টর রমেন আর গঙ্গাখাদকর।

আরও পড়ুন: চিন নয় মহামারির কেন্দ্রস্থল এখন ইউরোপ, ঘোষণা হু'র, শূণ্যর নিচে আর্থিক বৃদ্ধি নামার আশঙ্কা

এদিকে শুক্রবার এদেশে মৃত্যু হল দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তের। কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় বলি হলেন পশ্চিম দিল্লির ৬৮ বছরের এক মহিলা। ছেলের থেকে সংক্রামিত হয়েই তাঁর মৃত্যু বলে প্রাথমিক অনুমান চিকিৎসকদের। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ইউরোপ সফর করে দেশে ফিরেছিলেন প্রৌঢ়ার ছেলে। এরপরেই জ্বরও কাশি দেখা দেয় তাঁর। সেখান থেকে ছড়ায় মায়ের শরীরে। ওই পরিবারের বাকি সদস্যদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

বর্তমানে ভারতে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৬৪ জন ভারতীয়, ১৬ জন ইকালিয় ও ১ জন কানাডার নাগরিক। এদের মধ্যে ৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ৭১ জনের অবস্থা স্থিতিশীল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে। দিল্লির আইটিবিপি-র কোয়ারান্টাইন সেন্টার থেকে শুক্রবার ১১২ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সকলের করোনাভাইরাস টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। 

আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় রাজকোষ থেকে বরাদ্দ ৫০ বিলিয়ন ডলার, দেশজুড়ে জরুরী অবস্থা ঘোষণা ট্রাম্পের

এদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে মৃত্যু ঘটেছিল বুধবার। মৃত্যু হয়েছিল কর্ণটাকের ৭৬ বছরের এক বৃদ্ধের। মৃত্যুর পর দিন জানা যায় সম্প্রতি সৌদি থেকে ফেরত ওই  বৃদ্ধ  করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। 

এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিদেশে বেশকিছু ওষুধের রফতানি বন্ধ রেখেছে ভারত। দেশের নাগরিকদের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। কিন্তু মাস্ক ও অন্যান্য ওষুধপত্রের রফতানি যাতে ভারত বন্ধ না করে তারজন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে অনুরোধ করলেন ইজরায়েলের প্রাইমমিনিস্টার নেতানিয়াহু।