গত ৪১ বছর গুজরাটে একটিও ভোটে জিততে পারেনি কংগ্রেস। ভোট চুরি ইস্যুতে কংগ্রেসের আন্দোলন ও রাহুল গান্ধীকে তুলোধনা করলেন অমিত শাহ। গুজরাটের স্থানীয় নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি।

গুজরাটের স্থানীয় নির্বাচনে বিজেপি বিপুল ভোটে জিতেছে। আর এই জয়ের পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। রাজ্যে বিরোধী দলের টানা হারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই কটাক্ষ করেন।

রাহুলকে নিশানা অমিত শাহের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি জানান, তিনটি পুরসভা ও পুরনিগমের মোট ১০৪টি আসনের মধ্যে ৯০টিতেই জিতেছে বিজেপি। এই ফলাফল প্রমাণ করে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের ওপর গুজরাটের মানুষের কতটা ভরসা রয়েছে। অমিত শাহ লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে সরাসরি নিশানা করেন। গুজরাটের রাজনীতিতে কংগ্রেসের আদৌ কোনও প্রাসঙ্গিকতা আছে কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

অমিত শাহ বলেন, "আমি একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিতে চাই, বিশেষ করে রাহুলজিকে বলতে চাই যে, গত ৪১ বছরে কংগ্রেস একটাও নির্বাচনে জেতেনি। তারা শেষবার জিতেছিল সেই ১৯৮৫ সালে। তারপর থেকে গুজরাটে তারা শুধু হেরেই চলেছে।"

গুজরাটে বিপুল জয় বিজেপির

অমিত শাহ নিজের নির্বাচনী এলাকাতেও বিজেপির দাপটের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, গান্ধীনগর পুরনিগমের ৪৪টি আসনের মধ্যে ৩৮টিতেই জিতেছে দল। গতবারের চেয়ে এবার তাদের ভোটের হার ১০ শতাংশ বেড়েছে। তিনি আম আদমি পার্টিকেও (আপ) একহাত নেন। শাহ জানান, আপ যে ৩২টি আসনে লড়েছিল, তার সবকটিতেই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

বিরোধীদের তুলধনা অমিত শাহের

অমিত শাহের কথায়, "গুজরাটের তিনটি পুরসভা ও পুরনিগমে আজ নির্বাচন ছিল। দুটি পুরসভা ও একটি পুরনিগমের মোট ১০৪টি আসনের মধ্যে ৯০টি জিতে বিজেপি দারুণ জয় পেয়েছে।" নিজের এলাকার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "গান্ধীনগর পুরনিগম আমার নির্বাচনী এলাকার মধ্যে পড়ে। সেখানে ৪৪টি আসনের মধ্যে ৩৮টিতেই জিতেছে বিজেপি।" স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপ-কে কটাক্ষ করে বলেন, "আম আদমি পার্টি ৩২টি আসনে লড়েছিল ঠিকই, কিন্তু সবকটি আসনেই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।"

অমিত জোর দিয়ে বলেন যে, এই জয় দলের জনপ্রিয়তা অনেকটাই বাড়িয়েছে। শাহ আরও বলেন, "গুজরাটের এই বিপুল জয় রাজ্যের ভোটারদের মেজাজ বুঝিয়ে দিচ্ছে। এটা প্রমাণ করে যে, গুজরাটের মানুষ নরেন্দ্র মোদীজির পাশে পাহাড়ের মতো শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। আগেরবারের চেয়ে গান্ধীনগর পুরনিগমে বিজেপির ভোটের হার ১০ শতাংশ বেড়েছে।"