শুক্রবার লাদাখের চুসুল সেক্টরে এক ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করে এক চিনা সেনা। সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হয় পিপিলস লিবারেশন আর্মির সদস্যকে। কিন্তু তারপর থেকেই ওই সেনাকে নিয়ে চাপান উতোর শুরু হয়েছে নয়া দিল্লি ও বেজিং-এর মধ্যে। কারণ চিনা সেনাকে আটকের কথা স্বীকার করে নিয়েছে ভারত। পাল্টা বেজিং-এর দাবি অন্ধকারে নাকি চিনা সেনা পথ হারিয়েছে। তাই তাকে অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়া উচিৎ বলেও দাবি করেছে শি জিংপিং প্রশাসন। 

চিনের দাবি, পূর্ব লাদাখ সেক্টরের জটিল ভৌগলিক কারণ আর অন্ধকারের কারণেই ওই চিনা সেনা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। ভুল করে ঢুকে পড়ছে ভারতীয় সীমান্তে। চিনা সেনার অন্যকোনও উদ্দেশ্য ছিল না বলেও দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আটক চিনা সেনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছে। চিনের পক্ষ থেকে প্রথমে অবশ্যে কিছুটা আবেদন নিবেদেনের পথেই হাঁটা হয়েছিল। কারণ বেজিং আশা প্রকাশ করেছিল হারিয়ে যাওয়া চিনা সৈন্যের অনুসন্ধান আর উদ্ধার কাজে ভারত তাদের সাহায্য করবে। যদিও এই ঘটনার প্রায় দুঘণ্টা পরে চিনা সেনাকে যে ভারতীয় সৈন্যরা আটক করেছে তা নিশ্চিত করা হয়েছিল।একই সঙ্গে ভারতের পক্ষ থেকে জানান হয়েছিল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ পেলে তবেই ছেড়ে দেওয়া হবে চিনা সেনাকে। 

অধরা সমাধান সূত্র, কৃষকদের সঙ্গে কেন্দ্রের 'জেদ' কি জট কাটাবে নবম দফার আলোচনায় ...

ইতিহাসের অপেক্ষায় এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট জোয়া, নেতৃত্ব দেবেন উত্তর মেরুর কঠিন পথ ...

যদিও বেজিং সূত্রের খবর চায়না মিলেটারির দাবি ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত ও চিন দুটি দেশকেই সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও প্রশান্তি বজায় রাখতে হবে। আর সেই কারণেই চিনা সেনাকে অবিলম্বে ফিরত দেওয়া উচিৎ। পাল্টা ভারতের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, পিএলএর সেনা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করেছিল শুক্রবার। তাকে হেফাজতে নিয়েছে ভারতীয় সেনারা। চিন যদি নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে তাহলে সংশ্লিষ্ট সেনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যদিকে চিনে সেনার ভারতীয় সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান হয়েছে ভারতের পক্ষে।