শেষ পর্যন্ত একেবারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে দুই শিবিরের মধ্যে। এখনও পর্যন্ত অবশ্য ২৪৩টি আসনের মধ্যে ১৬৫টি আসনের সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ১২২টি আসন এনডিএ-র দিকে আসতে চলেছে এবং মহাজোট ১১৩টি আসনের বেশি পাবে না, বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, নির্বাচনের গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে অন্তত ২৪টি আসনে পুনর্গণনার দাবি তুলেছে মহাজোট।

ঘোষিত ১৬৫টি আসনেরহ মধ্যে এনডিএ জিতেছে ৮৩টি আসনে। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৪৭টিতে, জেডিইউ ২৯টিতে, ভিআইপি ৪টি, এবং এইচএএম ৩টিতে। একইসঙ্গে তারা এগিয়ে রয়েছে আরও ৩৯টি আসনে। অন্যদিকে মহাজোট এখনও পর্যন্ত জয়ী হয়েছে ৭৬টি আসনে। এরমধ্যে আরজেডি জিতেছে ৫২টিতে, কংগ্রেস ১২টি, বামেরা ১২টিতে। মহাজোটের প্রার্থীরা আরও ৩৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদের মধ্যে এআইমিম জয়ী ৪টিতে, এগিয়ে ১টিতে। ১টি করে আসনে বিএসপি এবং নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এলজেপি-ও শেষ বেলায় ১টিতে জয়ী হয়েছে।

আরও পড়ুন - মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত - কমল ফুটছে উপনির্বাচনেও, ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দিগ্বিজয়

আরও পড়ূন - বিহার নির্বাচন ২০২০, জোট বদলের ভেল্কি কীভাবে বদলে দিচ্ছে ফলাফল

আরও পড়ূন - নীতিশ কুমারকে ফোন করলেন অমিত শাহ - তবে কি বিহারে নেতা বদল, বাড়ছে জল্পনা

আরজেডি-র অভিযোগ বহু জায়গাতেই তাঁদের প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করার পরও তাঁদের জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হয়নি। তারপর তাঁরা জানতে পারেন, এনডিএ প্রার্থীর আবেদনের ভিত্তিতে পুনর্গণনা করা হচ্ছে। তারপরই এনডিএ-র প্রার্থীকে খুব অল্প ভোটে জয়ী বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, যেখানে যেখানে মহাজোট ভোট পুনর্গণনার দাবি করেছে, কোথাওই তাদের দাবি মানা হয়নি। আরজেডি ও কংগ্রেসের দাবি বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচন কর্মীদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এনডিএ। আর তার জন্যই পুণর্গণনার নাটক করে এনডিএ প্রার্থীদের জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে গণনায় কোনও অস্বচ্ছতা নেই। কোনও দল বা ব্যক্তির দ্বারা কমিশন প্রভাবিতও হচ্ছে না। তবে মহাজোটের দাবি তারা খতিয়ে দেখবে।