জরুরি অবস্থা একটি ভুল ছিল। আর তাঁর ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধী একাধিকবার তা স্বীকার করে নিয়েছেন। আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুর সঙ্গে অলোচনার সময় জরুরি অবস্থা নিয়ে কংগ্রেসের ভুলের কথা অকপটে স্বীকার করে নিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন বর্তমানে বিজেপি ও আরএসএস প্রতিষ্ঠানে তাদের মতাদর্শের সঙ্গে মেলে এমন মানুষদের বসিয়ে স্বাধীনতা খর্ব করছে। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন ভারতের গণতন্ত্রের শ্বাসরোধ করা হচ্ছে। 

১৯৭৫-৭৭ সাল পর্যন্ত জরুরি অবস্থা নিয়ে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা প্রকাশ জাভড়েকর রাহুল গান্ধীর মন্তব্যকে হাস্যকর বলেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন জরুরি অবস্থার সময় প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছিল।  তিনি আরও  বলেছেন আরএসএস বা রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সংঘকে বুঝতে রাহুল গান্ধীর অনেক সময় লাগবে। আরএসএস হল বিশ্বের সবথেকে বড় দেশপ্রেমের পাঠশালা। প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন জরুরি অবস্থার সময় দেশের সমস্ত সংগঠনকে দমন করার জন্য বিরোধী রাজনৈতির দলের সাংসদ ও বিধায়কদের জেলে পোরা হয়েছিল। 

বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ নজর, তরুণদের আত্মবিশ্বাসী করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানালেন মোদী ...

ঠাকুমার ভুল স্বীকার করলেন নাতি, রাহুল গান্ধী বলেন জরুরি অবস্থা ছিল ইন্দিরার ভুল সিদ্ধান্ত ...

হরিয়ানার মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অনিল ভিজ রাহুল গান্ধীর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানাতে গিয়ে বলেন, জরুরি অবস্থা নিয়ে যদি কংগ্রেস নেতা ভুলই স্বীকার করেন তাহলে সবার আগে তাঁর উচিৎ কংগ্রসের মত স্বৈরতান্ত্রিক একটি দল থেকে পদত্যাগ করা। রাহুল গান্ধীর পক্ষে এটা মেনে নেওয়াই যেথেষ্ট নয় যে, ১৯৭৫ সালে জারি করা জরুরি অবস্থা একটি ভুল ছিল। কারণ এখনও কংগ্রেসের মধ্যে বেঁচে রয়েছে স্বৈরতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা। যা সম্পূর্ণরূপে গণতন্ত্রের পরিপন্থী। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন কংগ্রেসে এখনও সক্রিয় রয়েছে জরুরি অবস্থা। রাহুল গান্ধী কী করে এখনও কংগ্রেসের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হরিয়ানার মন্ত্রী।