বছরের শেষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যেই গেরুয়া শিবিরে ফাটল দেখা দিল।  ৬ বারের সাংসদ ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইস্তফা দিলেন বিজেপি থেকে। তিনি নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভারও সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন বাজেট অধিবেসনের সময় ব্যক্তিগতভাবে স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে সাংসদ পদ থেকেই ইস্তফা দিয়ে দেবেন তিনি। গুজরাতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিআর পাতিলকে লেখা চিঠিটে ভাসাবা বলেছেন, তিনি দলের প্রতি অনুগত ছিলেন, দলের মূল্যবোধও তিনি গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করেছেন। তিনি একজন মানুষ। তাই ভুল হওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তিনি জেনে অথবা না জেনে যদি কোনও ভুল করে থাকেন তাহলে যেন তাঁকে মার্জনা করে দেওয়া হয়। তাঁর ভুলে যাতে দলের ক্ষতি না হয় সেই জন্যই তিনি পদত্যাগ করছেন বলেও জানিয়েছেন। 

গুজরাতের ভারুচ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ মনখুক ভাই ভাসাবা। এই এলাকায় উপজাতী অধ্যুসিত নর্মদা জেলার ১২১টি  গ্রামকে ইকো সেনসিটিভ জোনের অন্তর্গত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। প্রজ্ঞাপণ প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ তাঁর প্রতিবাদে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আর সেই কারণেই দল থেকে পদত্যাগ করছেন তিনি। যদিও এখনও এই বিষয় নিয়ে স্পষ্ট্ করে কিছুই বললেন সাংসদ। 

গালওয়ান থেকে প্যাংগং, ফিরে দেখা পূর্ব লাদাখ সেক্টরের উত্তপ্ত দিনগুলি ...

'প্রভুর আদেশই শিরোধার্য', রাজনৈতিক দল গঠন করবেন না বলে ঘোষণা রজনীকান্তের ...

অন্যদিকে বিজেপির রাজ্যমুখপাত্র ভরত পাণ্ডে জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁরা জানতে পেরেছেন সাংসদ মনসুখ  ভাই ভাসাবা পদত্যাগ করেছেন। দলের একাধিক নেতা তাঁর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। ভাসাবা সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করা হবে বলেও দলীয় সূত্রে খবর। অন্যদিকে দলের একটি অংশ মনে করছেন ভাসাবা দলের ওপর চাপ তৈরি করতেই বিজেপি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁর মূল উদ্দেশ্যই হল কেন্দ্রীয় সরকার যাতে প্রজ্ঞাপণ প্রত্যাহার করে। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেই একাধিকবার ভাসাবা মদ নিষিদ্ধ ও ইকো সেনসেটিভ জোন এলাকায় জল, জঙ্গল আর জমি সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন।