Cockroach Janata Party Protest: নেকে খাবারের প্যাকেট এবং পানীয় জল পাঠিয়েও এই প্রতিবাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। বিক্ষোভ শুরু হয়েছে বিদেশেও (cjp protest live)। এবার এই আন্দোলনের পাশে দাঁড়ালেন বিখ্যাত গায়ক অরিজিৎ সিং এবং জাতীয় ফুটবলার সাহাল আবদুল সামাদ।

Cockroach Janata Party Protest: দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনের পাশে এবার দাঁড়ালেন বিখ্যাত গায়ক অরিজিৎ সিং এবং জাতীয় ফুটবলার সাহাল আবদুল সামাদ (Cockroach Janata Party protest)। নিঃসন্দেহে এই আন্দোলন এই মুহূর্তে ঐতিহাসিক রুপ নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-যুব এবং সাধারণ মানুষরা যন্তর মন্তরে গিয়ে এই প্রতিবাদে শামিল হচ্ছেন। এমনকি, অনেকে খাবারের প্যাকেট এবং পানীয় জল পাঠিয়েও এই প্রতিবাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। বিক্ষোভ শুরু হয়েছে বিদেশেও (cjp protest live)। এবার এই আন্দোলনের পাশে দাঁড়ালেন বিখ্যাত গায়ক অরিজিৎ সিং এবং জাতীয় ফুটবলার সাহাল আবদুল সামাদ। কার্যত, দেখে মনে হচ্ছে যেন, দেশের ছাত্র-যুব সমাজের বুকের মধ্যে জমে থাকা বারুদের বিস্ফোরণ!

ছাত্র-যুব আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে বিরাট বার্তা অরিজিৎ সিং এবং সাহাল আবদুল সামাদের

প্রসঙ্গত, দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ক্রমশই বিরাট আকার ধারণ করছে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সেই কাণ্ডের জেরে একাধিক পরীক্ষার্থীর স্বপ্ন শেষ হয়ে যাওয়া তথা মৃত্যুর পথও বেছে নেন অনেকে! সেই সবকিছুকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবাদ শুরু হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। ইতিমধ্যেই বিজেপি বিরোধী জোটের একাধিক নেতা দেখা করেছেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনও শামিল হয়েছে এই আন্দোলনে। শুধু তাই নয়, দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছাত্র-যুবরা দিল্লির যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দিয়েছেন। ফলে, ক্রমশই ভিড় বাড়তে শুরু করেছে দেশের রাজধানীতে। দেশের যুব সমাজ কার্যত, সামনের সারিতে থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শামিল হয়েছে। 

কী জানালেন তারা?

এবার এই প্রতিবাদের পাশে দাঁড়িয়ে অরিজিৎ সিং সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন, “আপনারা এবার ছাত্রছাত্রীদের মারধর করছেন! লজ্জা করে না আপনাদের? হ্যালো নেতা-মন্ত্রীরা, কী হচ্ছে এইসব? নিজেদের ঈশ্বর বলে মনে করছেন আপনারা? মনে রাখবেন, সবকিছু কিন্তু মনে রাখা হবে। সবকিছু। আর মনে রাখবেন, বদল হল একমাত্র অনিত্য সত্য। কেউ আমায় সম্মান করলেন বা না করলেন, সেটা নিয়ে আমার সত্যিই কিছু যায় আসে না। কিছু ভিডিও প্রকাশ্যে আসছে, যেখানে মানুষরা গুণ্ডার মতো আচরণ করছেন। তাই কেউ আমায় সম্মান করলেন বা করলেন না, সেটা নিয়ে আমার সত্যিই কিছু যায় আসে না। কেউ আমার মতামতের সঙ্গে সহমত হতেও পারেন, আবারও নাও হতে পারেন, এইসব বিষয় নিয়েও আমি একেবারেই ভাবিত নই। কেউ আমার অনুরাগী হওয়া মানে এটা নয় যে, আমার মতের সঙ্গে আপনার মত মিলতেই হবে। তবে আমি একজন ব্যক্তি হিসেবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমার কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করার কোনও ইচ্ছা বাঁ উদ্দেশ্য কিছুই নেই। আমি শুধু এটাই বোঝাতে চাইছি যে, আমি ভীষণ রেগে আছি। আপনার যদি মনে হয়, আমার সমস্ত প্লে-লিস্ট মুছে ফেলুন। আমায় মুক্তি দিন। আমি আপনার খুশির জন্য প্রার্থনা করব, তবে আপনি আমার মতামত বদলাতে পারবেন না।"

তবে শুধু অরিজিৎ নন। সাহাল আবদুল সামাদ আবার লিখেছেন, “এরা সেই তরুণ-তরুণী যারা শান্তিপূর্ণভাবে এসেছে কেবল নিজেদের কথাটুকু শোনাতে. অথচ তাদের মোকাবিলা করা হচ্ছে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে। যে প্রজন্মের সম্বল শুধুমাত্র তাদের কণ্ঠস্বর, তাদের ওপর লাঠিচার্জের কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। এই আন্দোলনের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে যার যাই মত থাকুক না কেন, তার প্রতিক্রিয়া এমনটা কখনোই হতে পারে না। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কোনও হুমকি নয়; একে হুমকির মতো বিবেচনা করলে তা শুধু ক্ষতকেই গভীর করে তোলে। আমি তাদের পাশে আছি—নীরবে বা দূর থেকে নয়, বরং সক্রিয়ভাবেই। ছাত্র-যুবদের কণ্ঠস্বর আলোচনার টেবিলে স্থান পাওয়ার যোগ্য, সেই পথের সামনে কোনো ব্যারিকেড নয়।"

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।