Cockroach Janta Party - Union Government: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, “কোনও রাজনৈতিক পদই ছাত্র-যুবদের স্বার্থের চেয়ে বড় হতে পারে না।" পার্লামেন্টে এবার আসছে কঠিন বিল। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দিতেই ককরোচরা জানিয়ে দেয়, সবাইকে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। সেই অনুযায়ী, খালি হতে শুরু করে যন্তর মন্তরের চত্বর।

Cockroach Janta Party - Union Government: পার্লামেন্টে এবার আসছে কঠিন বিল। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দিতেই ককরোচরা জানিয়ে দেয়, সবাইকে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। সেই অনুযায়ী, খালি হতে শুরু করে যন্তর মন্তরের চত্বর (Cockroach Janta Party - Union Government)। তবে আন্দোলনের তীব্রতা কেন্দ্রীয় সরকারকে রীতিমতো নাড়িয়ে দিয়েছে (protest at jantar mantar)। আর তাই সোমবারই পার্লামেন্টে আসছে কঠিন বিল! তবে ককরোচরা জানিয়ে দিয়েছে, "এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।"

সোমবারই পার্লামেন্টে আসছে কঠিন বিল!

এবার প্রশ্নফাঁস রুখতে সোমবারই পার্লামেন্টে নয়া বিল পেশ করতে চলেছে বিজেপি সরকার। রবিবার সন্ধ্যায়, একটি ভিডিও বার্তায় সেই বিষয়টি আবারও নিশ্চিত করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি আক্রমণ নিয়ে সোমবার সরগরম হতে পারে পার্লামেন্ট হাউজ। শোনা যাচ্ছে, জোরালো আওয়াজ তুলতে পারেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী চিঠি পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। সেই চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন, আন্দোলনকারীদের উপর ছর্‌রা গুলি চালানো হল কেন? কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিবাদীদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাহুল। 

অন্যদিকে, সিপিএমের রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিট্টাসের বক্তব্য, অমিত শাহের ইস্তফার দাবিতে সংসদে সরব হবেন বিরোধীরা। কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও দাবি করেছেন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। তবে এখনও অবধি যে ভিডিওবার্তাগুলি প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে এসেছে, সেখানে তিনি ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, ছাত্র আন্দোলন এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কোনও কথা উল্লেখ করেননি ও ক্ষমাও চাননি। 

ককরোচরা জানাল, "এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে"

উল্লেখ্য, মোদী জমানায় এই প্রথম কোনও মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন। বলা ভালো, আন্দোলনের চাপে করতে বাধ্য হলেন। একাধিক ইস্যুতে ছাত্র-যুবদের মধ্যে জমে থাকা পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলেও মনে করছেন অনেকে। এবার তাই প্রশ্নফাঁস রুখতে সোমবার, পার্লামেন্টে সংশোধনী বিল আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভায় পেশ করা হবে ‘পাবলিক এগ্‌জ়ামিনেশন অ্যামেন্ডমেন্ট ২০২৬’ বিলটি। এই বিল যদি আইনে পরিণত হয়, তাহলে প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দোষীদের ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সেইসঙ্গে, ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানাও হতে পারে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, “কোনও রাজনৈতিক পদই ছাত্র-যুবদের স্বার্থের চেয়ে বড় হতে পারে না।" তবে আন্দোলন তুলে নিলেও বড় বার্তা দিয়েছে ককরোচরা। সরকারকে কিন্তু বেজায় চাপে রাখতে চাইছে সিজেপি। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে একটি ভিডিও বার্তায় সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “ধর্না শেষ মানে এই নয় যে, আন্দোলন শেষ! এটা তো সবে শুরু। ককরোচ জনতা পার্টিকে আরও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে।’’

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।