১৪ অগাস্ট রাজস্থান বিধানসভার অধিবেশন, কিন্তু এখনও পর্যন্ত মানেসরের হোটেলেই রয়েছে টিম শচীন পাইলট। এখনও তাঁরা রাজস্থান ফিরে যাননি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই টিম শচীন পাইলটকে নিশানা করতে শুরু করেছে কংগ্রেস। এদিন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা অভিযোগ করেন এখনও পর্যন্ত বিজেপির আতিথেয়তায় রয়েছেন বিক্ষুদ্ধ ১৯ জন বিধায়ক। বিজেপি শাসিত হরিয়ানা সরকার তাঁদের খাতিরদারিও করেছ। 

রাম মন্দির দেখতে কেমন হবে তৈরি হওয়ার পর, প্রস্তাবিত মন্দিরের ছবিগুলিতে চোখ রাখুন

ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে পরমাণু ডিভাইস লাগিয়েছেন কিম, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট রাষ্ট্র সংঘে ...

রণদীপ সুরজেওয়ালা একই সঙ্গে গুরুগ্রামের নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন ওই এলাকায় একের পর খুন ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু তখন পুলিশের কোনও সাহায্য পাওয়া যায় না, এই অবস্থায় ১৮ জন বিধায়কের জন্য মানেসরের রিসর্টে এক হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এটা কেন তাও জানতে চেয়েছেন তিনি। 

অন্যদিকে রাজস্থান পুলিশের স্পেশাল আপারেশ গ্রুপ  দাবি করেছে রাজস্থানের বিজেপি সভাপতি সতীশ পুনিয়া মানেসরের রিসর্টে শচীন পাইলট ও বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেস বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। 

রাম মন্দিরের অনুষ্ঠানের আগেই 'রাম'কে নিয়ে বিবৃতি প্রিয়াঙ্কার, কংগ্রেস কী পরিবর্তন করছে রণকৌশল ...

যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে শচীন পাইলট শিবির। শচীন শিবিরের সদস্য মুরারি মিনার জানিয়েছেন কোনও বিজেপি নেতা তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যাননি। কোনও বিজেপি নেতার সঙ্গে তাদের কথাও হয়নি। পরিকল্পিতভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পুনিয়াও একই দাবি করেছেন। যদিও একটি সূত্র বলছে ১৮-২৯ জুলাইয়ের মধ্যে বিজেপি নেতা শচীন পাইলটদের সঙ্গে কথা বলতে মানসের গিয়েছিলেন। 

অন্যদিকে এদিন কিছুটা হলে বেঁকে বসেছে শচীন শিবির। আগে শচীন শিবিরের পক্ষ থেকে বিধানসভার অদিবেশনে উপস্থিত থাকার কথা ঘোষণা করা হলেও এদিন পাইলট শিবির বলেছে এখনও তারা অধিবেশনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। কারণ অধিবেশনের জন্য এখনও হাতে ১০ দিন সময় রয়েছে।