করোনাভাইরাসের গ্রাফে কিছুটা হলেও স্বস্তির ছবি দেখা গেছে মঙ্গলবার। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই কমছে। তবে মধ্য প্রদেশ তথ্য সংশোধন করায় মৃত্যুর সংখ্যা পরিবর্তন হয়েছে।  

করোনাভাইরাসর তৃতীয় তরঙ্গের সতর্কতার মধ্যেই মধ্যপ্রদেশ করোনাভাইরাসে মৃত্যু নিয়ে সরকারি তথ্য পরিবর্তন করেছে। তাতেই মঙ্গলবার দেশে করনোভাইরাসের ছবিতে একটি বড় পরিবর্তন হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৯০৬ জন। মধ্যপ্রদেশ মৃত্যুর সংখ্যা পরিবর্তন করায় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যন দাঁড়িয়েছে ২০২০। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৭২ জনের। গত ২৪ দেশে মৃত্যুর সখ্যা গত চার মাসের সর্বনিম্ন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৭৮৪। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৯ লক্ষ ৭ হাজার ২৮২। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

মহারাষ্ট্র আর বিহারের পর মধ্যপ্রদেশ তৃতীয় রাজ্য যে রাজ্যে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা পরিবর্তন করা হয়েছে। রাজ্যটির নতুন গণনায় গত ৩০ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় তরঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা পরিবর্তন করা হয়েছে। গত ২৬ জুন সরকার জেলা আধিকারিকদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল ৩০ জুন অবধি যে কোনও মৃত্যুর খবর সরকারের সার্থক পোর্টালে যোগ করা হয়নি। তাই রিপোর্ট দেওয়ার আবেদন জানান হয়েছিল। তাতেই সামনে এসেছে অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা। গত তিন সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনই দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২ হাজারের অনেকটাই কম রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী এদিন দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ৪৪৩ জন। যা ১১৮ দিনে সবথেকে কম। দেশে সুস্থতার হার ৯৭ শতাংশেরও বেশি। অ্যাক্টিভকেসের সংখ্যাও ১০৯ দিনে সবথেকে কম। 

আহ্লাদে ডগমগ মা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কেন বললেন 'ছেলের জন্য গর্বিত তিনি'

মন্দির থেকে ৫ কিলোমিটারের মধ্যে গোমাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, নতুন গবাদিপশু আইনে নজর রাখুন

তবে সোমবারই অল ইন্ডিয়ার মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে দেশে তৃতীয় তরঙ্গ আসন্ন। তা মারাত্মক আকার নিতে পারে। এখন যদি সচেতন হওয়া যায় তাহলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। আর সেই কারণেই করোনাভাইরাস সংক্রান্ত প্রোটোকল আর বিধিনিষেধ মেনে করার আর্জি জানিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে চিকিৎসক সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যটন আর ধর্মীয় স্থানগুলি খুলে দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।