সংক্ষিপ্ত
- জমে গিয়েছে রাজধানী দিল্লিতে ভোটপ্রচার
- সোমবার প্রচার নামছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
- যোগীর উপর ভোট প্রচারে নিষেধাজ্ঞার দাবি
- নিষেধাজ্ঞার দাবি তুলল আম আদমি পার্টি
বিধানসভা ভোটের দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই কনকনে ঠান্ডার মধ্যে নির্বাচনী উত্তেজনার পারদ চড়ছে রাজধানীতে। আগামী ৮ তারিখ দেশের রাজধানীতে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যেই নাগরিকত্ব আইন নিয়ে প্রতিবাদ চলছে রাজধানীতে। যাকে নিজেদের নির্বাচীন প্রচারে ব্যবহার করছে কংগ্রেস, আম আদমির মত বিরোধী দলগুলি। এর ফলে যথেষ্টই বেকায়দায় বিজেপি। এরমধ্যেই রাজধানীর ভোট প্রচারে আজ ময়দানে নামছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জনসভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। প্রচারে নামছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।
আরও পড়ুন: করোনার পর এবার বার্ডফ্লু আতঙ্ক, হত্যা করা হল ১৮,০০০ মুরগিকে
এদিকে নির্বাচনী প্রচারের মাঝেই ফের বেঁফাস মন্তব্য করে শিরোনামে মডেল টাউনের বিজেপি প্রার্থী কপিল মিশ্রা। কপিল অভিযোগ করেন জিন্নার মত রাজনীচি করছেন আম আদমি প্রার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেই কারণে কেজরি নিজের দলের নাম পরিবর্তন করে মুসলিম লিগ রাখুক। দিল্লিতে গাড়িতে আগুন লাগানো ও পুলিশকে মারধরের ঘটনায় আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলছেন মিশ্রা।
এদিকে দেশকে কিছুতেই দু'ভাগে ভাগ করতে দেওয়া হবে না বলে একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎ কারে দাবি করেছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। প্রয়োজনে সিএএ বিরোধীদের সাথে কথা বলতেও কেন্দ্র প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: চিনে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল ৩৫০, হংকং-এ ধর্মঘটের ডাক চিকিৎসা কর্মীদের
এদিকে সোমবার সকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছেন দিল্লির বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দ্বারকায় আপ প্রার্থী বিনয় কুমার মিশ্রার হয়ে পথসভা করেন তিনি।
যোগী আদিত্যনাথ দিল্লির নির্বাচীন প্রচারে ময়দানে নামলেও আম আদমি পার্টি তার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির জবন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে। উস্কানি মূলক মন্তব্যের জন্য যোগীর বিরুদ্ধে এইআইআরের দাবিও তোলা হয়েছে। দিল্লির নির্বাচনে ষড়যন্ত্রের ছক কষছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এমন দাবিও তোলা হয়েছে। এদিকে শাহিনবাগ ও জামিয়ায় গুলি চালানোর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন দিল্লির ডিসিপি চিন্ময় বিসওয়াল কে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।