এদিন সকালেই দিল্লির বিজেপি মনোজ তিওয়ারি সোশ্যাল মিডিয়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন করোনা মুক্ত হয়েছেন আমিত শাহ। তারপর থেকেই নেট দুনিয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে নিয়ে রীতিমত উচ্ছাস শুরু হয়েছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বার্তা ডিলিট করে দেন মনোজ তিওয়ারি। 


একটি সূত্র জানাচ্ছে দিল্লির বিজেপি নেতার এই বার্তায় রীতিমত হকচকিয়ে যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তাব্যক্তিরা। কারণ বর্তমানে  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে রীতিমত যোগাযোগ রয়েছেন অমিত শাহর। তিনি গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানে থেকে প্রয়োজনীয় কাজ সারছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের একটি দল নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। প্রয়োজনীয় ফাইল পত্র তাঁরা দিয়ে আসছেন বা কথাবার্তা বলছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি দল তাঁর স্বাস্থ্যের বিষয়ও খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করছে। 

স্বাস্তির হাওয়া মোদীর মন্ত্রিসভায়, করোনা মুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ ..

১০১টি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, রাজনাথের তালিকায় রয়েছে আর্টিলারি-অ্য়াসল্ট রাইফেল ...

তাই মনোজ তিওয়ারির সোশ্যাল  মিডিয়ায় বার্তার পরই  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকেই সেই দাবি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জানান হয়েছে, আপাতত অমিত শাহর করোনা পরীক্ষা করা হয়নি। কবে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন। আগামী দুই দিনের মধ্যে বিজেপি নেতা তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর করোনা পরীক্ষা করা হতে পারে বলেও সূত্র মারফত খবর পাওয়া গেছে। আগামী সপ্তাহে তিনি বাড়ি ফেরতে পারেন বলেও হাসপাতাল সূত্রে একটি আভাস পাওয়া গেছে। 


গত সপ্তাহে অর্থাৎ দোশরা অগাস্ট অমিত শাহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি ভর্তি হয়েছিলেন গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে। আর আক্রান্ত হওয়ার কথা নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন অমিত শাহ। তিনি লিখেছিলেন প্রাথমিক উপসর্গ থাকায় নিজের উদ্যোগেই নমুনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তাতেই জানা গিয়েছিল তিনি করোনা পজেটিভ। তারপরই তিনি ভর্তি হয়েছিলেন বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই গত একসপ্তাহ ধরে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। 


গত রবিবার আক্রান্ত হওয়ার আগের বুধবারই অমিত শাহ মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তাই অমিত শাহর সংস্পর্শে কেউ এসেছিলেন কিনা তাই খতিয়ে দেখা হয়। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়েছিল।