তিনটি কৃষি আইনের সঙ্গে যোগাযোগ নেই  আইনগুলি থেকে লাভবান হওয়ার রাস্তা নেই  আদালতের দ্বারস্থ হয়ে জানান রিলায়েন্স  সোমবার কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের বৈঠক   

কৃষকদের বিক্ষোভ অবস্থান চলাকালীন আম্বানি ও আদানিদের বয়কটের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। তারপর থেকেই কৃষকদের মূল নিশানা হয়ে দাঁড়িয়ে রিলায়েন্স সংস্থাটি। পণ্য বয়কটের পাশাপাশি বেশ রয়েকটি রিলায়েন্স জিও মোবাইলের টাওয়ার ও বেশ কয়েকটি পরিকাঠামো ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। পঞ্জাব ও হরিয়ানা এই ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আনার জন্য রিলায়েন্স কর্তৃপক্ষ একাধিকবার পঞ্জাবে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। এরপরই তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়। আবেদনপত্রে সংস্থার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন কৃষি আইনের সঙ্গে তাদের সংস্থার কোনও যোগসূত্র নেই।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রিলায়েন্সের পক্ষ থেকে যে আবেদন করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, নতুন তিনটি কৃষি আইনের সঙ্গে তাদের সংস্থার কোনও সম্পর্ক নেই। সেগুলি থেকে সংস্থাটি কোনও রকমভাবে উপকৃত হওয়ারও চেষ্টা করছে না। আর সেই কারণেই নতুন তিনটি কৃষি আইনের সঙ্গে তাদের সংস্থার যোগাযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করা বৃথা প্রচেষ্টা বলেও জানান হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানান হয়েছে, কৃষি আইনের সঙ্গে সংস্থার নাম জড়িয়ে সংস্থাটির ব্যবসায়িক ও নাম ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি চেষ্টা চালান হচ্ছে। রিলায়েন্স গোষ্ঠীর আবেদনে সংস্থার কর্মীদের নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, দুবৃত্তদের ক্রিয়াকলাপে তাদের সংস্থার হাজার হাজার কর্মীদের জীবন বিপন্ন করতে পারে। পাশাপাশি দুবৃত্তদের ক্রিয়াকলাপের কারণে জিও পরিষেবা কেন্দ্র, বিক্রিয় কেন্দ্রগুলিতে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পঞ্জাব ও হরিয়ানা সরকারের কাছে এই মর্মে অভিযোগ জানান হয়েছিল বলেও সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। রিলায়েন্সের পক্ষ থেকে পেশ করা আবেদন পত্রে জানান হয়েছে, পঞ্জাবে প্রায় ৯ হাজার রিলায়েন্সের টাওয়ারে ভাঙচুর চালান হয়েছে। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও দুবৃত্তদের ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। 

'টিকার রাজকুমার' আদার পুনেওয়ালার অন্দরমহল, গতিময় এক সুখী গৃহকোনের ছবি .

শেষ যাত্রায় অংশ নিয়ে এক লহমায় শেষ হয়ে গেল ২৫টি জীবন, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদীর ...

এদিনই আন্দোলনকারী কৃষকদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের আরও একদফা বৈঠেক কথা। এখনও পর্যন্ত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় রয়েছেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারেও কৃষি আইনে সংশোধনী আনার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এদিন যদি কোনও সমাধান সূত্র পাওয়া না যায় তাহলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনেক ডাক দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।