ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে গুগলের পদক্ষেপ এদেশে ১০০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে গুগল প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর ঘোষণা সুন্দর পিচাইয়ের এবার  দেশের নানা ছোটখাটো কোম্পানিতেও বিনিয়োগ করবে গুগল

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা গুগল ভারতে ডিজিটাল ক্ষেত্রে বড়সড় বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করল। সোমবার গুগল কর্তা সুন্দর পিচাই ঘোষণা করেন, ডিজিটাল ভারত গড়তে ৭৫ হাজার কোটি টাকা লগ্নি করবে এই মার্কিন সংস্থা। আর এই লগ্নি করা হবে আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিশ্ব জুড়ে করোনা মমাহামীর কারণে বিনিয়োগকারীরা অনেকক্ষেত্রেই হাত গুটিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু ঠিক এই অবস্থাতেই ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এগিয়ে এল গুগল। পাশাপাশি গুগল ফের একবার প্রমাণ করে দিল, যে কোনও সংকটময় পরিস্থিতিতে এই সংস্থাকে পাশে পাবে ভারত।

আরও পড়ুন: বিগ বি ভুলিয়ে দিলেন সম্পর্কের তিক্ততা, অমিতাভের আরোগ্য কামনায় ট্যুইট ভারত বিরোধী ওলির

সোমবার দুপুকেই অ্যালফাবেট ও গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ট্যুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই গুগলের বিনিয়োগের আভাস দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী লেখেন, অ্যালফাবেট-এর সিইও-র সঙ্গে দুর্দান্ত আলোচনা হয়েছে৷ ভারতের কৃষক ও উদ্যোগপতিদের জন্য কী ভাবে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো যায়, করোনা ভাইরাস অতিমারী-সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে৷

Scroll to load tweet…

 গুগল কর্তা সুন্দর পিচাই জানান, গুগল মনে করে, ভারতে ডিজিটাল অর্থনীতির বিরাট ভবিষ্যৎ আছে। আমরা সেই সুযোগ নিতে আগ্রহী। তাই আগামী কয়েক বছরে আমরা ভারতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করব। সুন্দর পিচাইয়ের কথায়, 'আমরা ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট, পার্টনারশিপ ও অপারেশনাল, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও ইকোসিস্টেম ইনভেস্টমেন্ট -সহ মিশ্র বিনিয়োগ করব৷' 

Scroll to load tweet…

সুন্দর পিচাই এদিন জানান, তাঁরা কেবল বড় কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবেন না। নানা ছোটখাটো কোম্পানিতেও বিনিয়োগ করবেন। ডেটা সেন্টার গড়ার জন্যও কিছু পরিমাণ অর্থ খরচ করবেন। 

আরও পড়ুন: ফেস শিল্ড না মাস্ক, করোনা সংক্রমণ আটকাতে কাকে এগিয়ে রাখছেন বিশ্বের তাবড় বিশেষজ্ঞরা

ডিজিটাল ভারতে গুগল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৪টি ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দিচ্ছে মূলত৷ প্রথমত, প্রত্যেক ভারতীয় তাঁদের নিজস্ব ভাষায় যাতে তথ্য পেতে পারেন, দ্বিতীয়ত, নতুন প্রডাক্ট ও পরিষেবা তৈরি৷ তৃতীয়ত, ব্যবসা ক্ষেত্রকে ক্ষমতায়ন৷ চতুর্থত, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষির মতো ক্ষেত্রের উন্নয়নে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ ইতিমধ্যে গুগল-এর এই যুগান্তকারি পদক্ষেপকে অভিবাদন জানিয়েছেন।