স্ত্রীর সঙ্গে দুই কন্যা সন্তানকে বাড়ির ভিতর আটকে রেখে আগুন ধরিয়ে দিল স্বামী। বুধবার এই ঘটনাকেন্দ্র করে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে  হরিয়ানার রোহতাকে। এই ঘটনায় স্ত্রী ও তিন বছরের শিশু কন্যার মৃত্যু হয়। কিন্তু দুই বছরের শিশু কন্যাটি প্রাণে বেঁচে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। তবে সেই শিশু কন্যাটি আপাতত বিপদ মুক্ত বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ। 


বছর সাতেক আগেই নিহত মহিলা মঞ্জুর  বিয়ে হয়েছিল। স্বামীর নাম রাজেশ। বিয়ের পর থেকে রাজেশ স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালাত বলে অভিযোগ। এর আগেও একাধিকবার স্ত্রীকে খুন করার চেষ্টা করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। তবে মঙ্গলবার খুব ভোরবেলা ঘুমন্ত  স্ত্রী ও দুই মেয়েকে ঘরে আটকে রেখে বাইরে থেকে আগুন দিয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে চম্পট দেয় রাজেশ। 

অসমের তেল কূপের আগুন প্রাণ নিল ২ দমকলকর্মীর, ২৪ ঘণ্টা পরেও ধ্বংসলীলা অব্যাহত ...

স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ঘটনার খবর পেয়েই রাজেশের বাড়িতে যায় পুলিশ। বাড়ির দরজা ভেঙে একটি ঘরের মধ্যে থেকে উদ্ধার করে মঞ্জুকে। দোলনা থেকে উদ্ধার হয় তার তিন বছরের মেয়ের পোড়া দেহ। তবে অন্যঘরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যায় মঞ্জুর দু-বছরের শিশু কন্যাটি। কিন্তু গোটা শরীরের পোড়ার আঘাত স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। 

ভালোবাসার নির্মম পরিণতি, দলিত যুবককে পাথর দিয়ে থেঁতলে পিটিয়ে খুন পুনেতে ...

নিহত মঞ্জুর বাবা স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বুধবার গ্রেফতার করা হয়েছে রাজেশকে। স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করে রাজেশ। কিন্তু এদিন যখন তাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে যায় তখন সে পুলিশ কর্মী ও পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইঁট আর পাথর ছুঁড়তে থাকে। যদিও একাধিক পুলিশকর্মী  দীর্ঘ কসরতের পর তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জেরা করা হচ্ছে রাজেশকে। কিন্তু এখনও জানা যায়নি কেন সে তার স্ত্রী ও সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করল।

আনলক পর্বে চোরা স্রোতের মত বাড়তে পারে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া, বড় বিপদের ইঙ্গিত বিশেষজ্ঞদের ...