গালওয়ান পরিস্থিতি নিয়ে সামরিক বৈঠকসূত্রের খবর সকাল থেকেই চলছে বৈঠকউত্তাপ কমাতেই বৈঠক 

উত্তপ্ত গালওয়ান উপত্যকায়ে চলছে সামরিক বৈঠক। সূত্রের খবর ভারতীয় সেনা বাহিনীর মেজর জেনারেল লেবেল পর্যায়ের আলোচনা চলছে সকাল সাড়ে দশটা থেকে। এটি দ্বিতীয় দফার বৈঠক বলে সূত্রের খবর। হাজির রয়েছেন চিনা সেনাবাহিনীর আধিকারিকরাও। সোমবার রাতে যেখানে ভারত ও চিনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল সেখানেই সমস্যা সমাধানের বৈঠক বসেছে বলেই সূত্রের খবর। সোমবার রাতেই এই গ্যালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চিনা সেনাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন। তবে প্রথম পর্যায়ের আলোচনা অমিমাংশিতই থেকে গেছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…


সীমান্ত সমস্যা মেটাতেই দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সীমান্ত থেকে সেনা সরানোর কোনও ইঙ্গিত দেয়নি চিন। তারমধ্যেই শুরু দ্বিতীয় দফার সামরিক পর্যায়ের আলোচনা। ভারতের পক্ষে থেকে দাবি করা হয়েছে মে মাসের আগের স্থিতাবস্তা ফিরেয়ে আনার দাবি করা হয়েছে। সূত্রে খবর চিন এখনও তাদের দেশের সৈন্য ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে প্রবেশ করাচ্ছে। পুরো গ্যালওয়ান এলাকাই তারা নিজেদের বলে দাবি করছে। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। 

দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আবার বৈঠকে অমিত শাহ, জেলা শাসকদের সঙ্গে আলোচনা ...

করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শেষ বিদায় লাদাখের শহিদ সন্তোষ বাবুকে, চোখে জল আট থেকে আশির ...

চিনা পন্য ব্যবহারে নিষেধ বিএসএনএল-কে, আত্ম নির্ভর ভারতের পথে পদক্ষেপ কেন্দ্রের ...
মে মাসের শুরু থেকেই সীমান্ত উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সিকিমের নাথুলা পাস থেকে যার শুরু। পূর্ব লাদাখের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভারত ও চিনের সৈন্যরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। চিনা সৈন্যরা একাধিকবার ভারতীয় সৈন্যদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। ভারতীয় সৈন্যদের পেট্রোলিং-এও বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সীমান্ত উত্তাপ কমাতে দুই দেশই সামরিক পর্যায় একাধিকবার কথা বলেছে। তারই মধ্যে সোমবার রাতে ভয়ঙ্কর হিংসার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রমণে আনতে বুধবার রাতেও দুই পক্ষ কথা বলেছিল। কিন্তু সেই বৈঠক অমিমাংশিত থেকে গেছে। 

এদিকে, মার্কিন গোয়েন্দাদের একটি রিপোর্ট এদিন প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে গালওয়ানে দুই দেশের ফৌজের সংঘর্ষে চিনের দিকেও ভালোই রক্ত ঝড়েছে। সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ চিনা ফৌজের। তবে, মার্কিন গোয়েন্দাদের এই রিপোর্টকে অনেকেই মান্যতা দেননি। তাদের মতে চিনের দিকে এই সংখ্যাটা মৃত এবং জখম-দের ধরে।