অনন্তনাগের বাসিন্দা হিলাল আহমেদ রাথরসৈনিক স্কুলের কৃতি ছাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও প্রশিক্ষণ নিয়েছেনএখাধিক সম্মান পেয়েছেন ভারতীয় বিমান বাহিনী থেকে  

মঙ্গলবার রাত পোহানোর অপেক্ষা। কারণ বুধারই ভারতের মাটিতে পা রাখতে বহু প্রতিক্ষীত রাফাল যুদ্ধ জাহাজ। প্রথম দফায় পাঁচটি য়ুদ্ধ বিমান আসছে ভারতে। আর সেই যুদ্ধ বিমানগুলি ভারতে আনার মূল দায়িত্বে রয়েছেন একজন কাশ্মীরি ব্যক্তিত্ব। তিনি হলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর কমান্ডার হিলাল আহমেদ রাথর। একটি সূত্র জানাচ্ছে ফ্রান্সে সঙ্গে ভারতের বিমান সংযুক্তির পুরো প্রক্রিয়াটির দায়িত্বে ছিলেন এই কাশ্মীরি যোদ্ধা। একটি সূত্র জানাচ্ছে ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে খুব দ্রুত রাফাল যুদ্ধবিমান হাতে চেয়েছিল ভারত। কেন্দ্রের নির্দেশ পালনে মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন হিলাল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কে এই হিলাল আহমেদ রাথের? দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার বাকশিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা। একটি সূত্র বলছে রাফাল যুদ্ধবিমান হস্তান্তরে তিনি ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর ডান হাত। ২০১৯ সালে যখন ফ্রান্স রাফাল যুদ্ধ বিমান হস্তান্তরের চুক্তি করেছিল তখন রাজনাথ সিং শাস্ত্রমত পুজো করেছিলেন। সেই সময় পুজোর কাজেও রীতিমত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। 

একটি সূত্র জানাচ্ছে সৈনিক স্কুল থেকে পড়াশুনা করেছেন হিলাল আহমেদ রাথের। ন্যাশানাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি থেকে সোর্ড অনার সম্মান পেয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার ওয়ার কলেজের স্নাতক তিনি। ১৯৮৮ সালে এয়ার ফোর্সের কমিশন পদ লাভ করেন। এবং এয়ার কমোডোরের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বিপদ ডেকে আনতে পারে করোনা আক্রান্তদের জন্য, দাবি বিজ্ঞানীদের

মহামারীর মধ্যেই চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর, শহুরে ভারতে বাড়ছে কর্মসংস্থানের সুযোগ ...

একটি সূত্র বলছে হিলাল আহমেদ মিগ ২১, মিরাজ-২০০০, কিরান বিমান উড়াতে সক্ষম। তিরিশ হাজার ঘণ্টায় উড়ানের রেকর্ড রয়েছে তাঁর। ২০১০ সাল থেকে উইং কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬ সালে গ্রুপ ক্যাপ্টেন থাকাকালীন বিশিষ্ট সেবা পদক পেয়েছেন তিনি। 

পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সমীকরণ বদলে দেবে প্রকৃতি, প্রতিকূল অবস্থায় বিপর্যস্ত হতে পারে লালফৌজরা .

প্রথম দফায় ফ্রান্সের দাঁসো কোম্পানির হাত থেকে পাঁচটি রাফাল জেট হাতে ভারচ্ছে ভারত। পরবর্তীকালে আরও ৩৬টি যুদ্ধ বিমান হাতে পাওয়ার কথা রয়েছে। প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। প্রথম দফায় আসা বিমানগুলি রাখা হবে আম্বালা ক্যান্টনমেন্টে। পরবর্তীকালে কয়েকটি বিমান রাখা হবে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায়।