জেল থেকেই বিধায়ক ভাঙানের চেষ্টার অভিযোগ  লালু প্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে বিজেপি  এনডিএ-র দুই বিধায়ককে ফোন করে অনুপস্থিত থাকার আবেদন  লালু আবেদন করেছিলেন বলে অভিযোগ বিজেপির    

বিহারে লালু প্রসাদ যাদবের জমানা শেষ হয়েও শেষ হল না। বিহার বিধানসভার স্পিকার নির্বাচনের আগে আরও একবার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব। মঙ্গলবার থেকেই বিজেপি অভিযোগ তুলে আসেছে ঝাড়খণ্ডের জেলে বসে এনডিএ বিধায়কদের দলবদলের উৎসাহিত করছেন তিনি। তেমনই অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা সুশীল মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি একটি ফোন নম্বর পোস্ট করেছেন। আর অভিযোগ করেছেন ওই নম্বর থেকেই ফোন করে এনডিএ বিধায়কদের নানাবিধ প্রলোভন দেখান হচ্ছিল। আর সেই নম্বরে তিনি যখন ফোন করেন তখন তা রিসিভ করেন লালু প্রসাদ যাদব। আর তখনই লালুকে বলেন জেলে বসে নোংরা রাজনীতির খেলায় সফল হওয়া যাবে না। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অন্যদিকে সুশীল কুমার মোদীর অভিযোগের সাপেক্ষে একটি অডিও ক্লিপ হাতে এসেছে এশিয়ানেট নিউজ বাংলার। যেখানে দুই ব্যক্তির কথোপকথন রয়েছে। তবে অডিও ক্লিপের সত্যতা যাঁচাই করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা। অডিও ক্লিপটিতে এক ব্যক্তি যিনি সদ্যো সমাপ্ত নির্বাচনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন এনডিএ বিধায়ক পবনকে। তাঁর কণ্ঠস্বর অনেকটাই লালুপ্রসাদ যাদবের মত। সেই ব্যক্তি আরও বলেছেন, আপনি বিহার বিধানসভা আমাদের সাহায্য ক

Scroll to load tweet…

রুন। তাহলেই এনডিএ সরকারকে ফেলে দিতে সক্ষম হব। আর আপনাকে মন্ত্রী করে দেওয়া হবে। তখন পাল্টা বিজেপি বিধায়ক পবনকে কিছুটা দ্বিধার সঙ্গেই বলতে শোনা যায়, তিনি দলেই আছেন। আর দলেই থাকতে চান। কিন্তু তার উত্তরে অন্যপ্রান্তে থাকা ব্যক্তিটি বলেন, তুমি দলে থাকো কিন্তু একদিনের জন্য অনুপস্থিত হয়ে যাওয়। করোনাও তো হতে পারে। 

গতি বাড়িয়ে সমতলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণঝড় নিভার, তার আগেই শুরু হয়েছে প্রকৃতির তাণ্ডব ...

করোনা টিকায় 'সাইড এফেক্ট' কাঁটা মোদীর, তারপরেও প্রতিষেধক নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ .

আর এই অডিও ক্লিপ সামনে আসরেই লালুর বিরুদ্ধে অস্ত্রে শান দিতে শুরু করে বিজেপি। বিজেপি নেতা সুশীল মোদী বলেন, লালু প্রসাদ যাদব এনডিএ বিধায়কদের টোপ দিচ্ছে দল ভাঙানোর জন্য। অন্যদিকে একই অভিযোগ করেনেছেন লালন যাদব নামে আরও এক এনডিএ বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন লালু প্রসাদ যাদবের কাছ থেকে তিনি ফোন পেয়েছিলেন। তাঁকেও বিহার বিধানসভায় স্পিকার নির্বাচনের সময় অনুপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল। তাঁকেও নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। 


এই ঘটনা সামনে আসার পর লালু প্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে আরও একবার সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া বলেন, লালু প্রসাদ জঙ্গলের রাজত্ব ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারবেন না। জেলে বসেও তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সংশোধনাগারে থেকে আরজেডি সুপ্রিমো কী ভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তবে আরজেপি নেতা নির্মল কুমার সিং বলেছেন, লালু প্রসাদ যদি কোনও বিধায়ককে এজাতীয় প্রস্তাব দিয়ে থাকেন তা খুব একটা ভুল নয়। কারণ রাজনীতিতে এজাতীয় ঘটনা ঘটে থাকে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে জেলে রয়েছেন তিনি।