গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছে ২৫৫৩ জন। ফলে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪২,৫৩৩। আক্রান্ত যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৭২ জন। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩৭৩ জন। এই অবস্থায় সোমবার থেকে দেশে ১৪ দিনের জন্য শুরু হয়েছে তৃতীয় দফার লকডাউন। এবারের লকডাউনে কন্টেইমেন্ট জোন ছাড়া সর্বত্র মদের দোকানে শর্তসাপেক্ষে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাধারণত আফগারি দফতর থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যের সরকারই বিপুল পরিমাণ শুল্ক আয় করে। তাই আপাতত একটা আয়ের রাস্তা খুলতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। 

 

এবারে দেশে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে অরেঞ্জ ও গ্রিনজোনে লকডাউন কিছুটা শিথিল করার ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। সেই অনুযায়ী এই জোনগুলিতে সোমবার থেকে খুলেছে মদের দোকান। কিন্তু বাংলাসহ মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, মুম্বই ও অসমের মত রাজ্যে রেড জোনেও খোলা হয়েছে লিকার শপ। 

কেন্দ্রকে চাপে ফেলে বড় ঘোষণা সনিয়ার, পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার খরচ দেবে কংগ্রেস

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াল, লকডাউনে বেহাল পাকিস্তানে কর্মহীন ১ কোটি ৮০ লক্ষ

বিশ্বের দরবারে মোদীর ভাষণ, হাইড্রোক্লিক্লোরোকুইনের পর জানাবেন মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কৌশল

সকাল থেকেই লম্বা লাইন চোখে পড়েছে হুবলির একটি লিকার শপের বাইরে। কর্ণাটকে সকাল ৯টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মদের দোকান। তবে ভোরত হতেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েছে জনতা।

 

 

ছত্তিশগড়ে সোমবার সকাল থেকেই খুলে গিয়েছে একাধিক মদের দোকান। এতদিন দোকান বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক কারণেই প্রথম দিনই দোকানে উপচে পড়েছে মানুষের ভিড়। সোমবার সকালে দেখা গেল  রায়পুরে একটি মদের দোকানে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ক্রেতারা। বাঁশ দিয়ে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে রাস্তা। সেই বাঁশের ব্যারিকেডের আগেও রাস্তায় লম্বা মদ কেনার লাইনে দাঁড়িয়েছেন অসংখ্য মানুষ।

 

বেঙ্গালুরু রেড জোনে থাকলেও সেখানেও মদের দোকানে চোখে পড়েছে লম্বা লাইন।

দিল্লিতেও পরিস্থিতিটা একই রকম। লকডাউনে রেশন নেওয়ার লাইনের মত এক কিলোমিটার লম্বা লাইন পড়েছে দেশবন্ধু গুপ্তা রোডের একটি লিকার শপে।

 

 

দিল্লির কাশ্মীরি গেট এলাকাতেও  মদের দোকান খুলতেই উপচে পড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব না মেনেই লাইনে ক্রেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে।