মঙ্গলবারের মধ্যে শক্তিপরীক্ষা দিতে হবে  কমল নাথকে চিঠি রাজ্যপালের কাল সুপ্রিম কোর্টে মধ্যপ্রদেশ মামলার শুনানি ২৬ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত বিধানসভার অধিবেশন

মধ্যপ্রদেশ নিয়ে হাল ছাড়তে রাজি নয় বিজেপি। আবারও লড়াইয়ের ময়দানে রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন। মঙ্গলবারের মধ্যেই দিতে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় দিতে হবে শক্তি পরীক্ষা। তা যদি না হয় তাহলে মনে করা হবে আপনার সরকার পড়ে গেছে। কমল নাথকে রীতিমত কড়া ভাষায় চিঠি লিখে জানালেন রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিধানসভার সমস্ত অধিবেশ স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যপাল চিঠিতে লিখেছেন আস্থাভোট থেকে পিছিয়ে আসতে ভিত্তিহীন কারণ খুঁজে বেড়াচ্ছেন কমল নাথ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃ মধ্যপ্রদেশে হচ্ছে না আস্থা ভোট, ১০ দিনের স্বস্তিতে কমল নাথ

সোমবারই মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় আস্থা ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের ভাষণের পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভার অধিবেশন। সরকার ও বিরোধী পক্ষের বিধায়করা তুমুল হইহট্টোগোল শুরু করে দিলে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিধানসভা অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারপরই আস্থাভোটের দাবি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। পাশাপাশি বিধায়ক কেনার চেষ্টার অভিযোগ করা হয় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার শুনানি হবে। কিন্তু তার আগেই রাজ্যপালের এই চিঠি সামনে আসায় রীতিমত সরগম মধ্যপ্রদেশের রাজনীতি। 

আরও পড়ুনঃ কমল নাথকে স্বস্তি দিল না বিজেপি, মধ্যপ্রদেশে আস্থা ভোটের দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে

রাজ্যপাল নিজের এক্তিয়ার বহির্ভূত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ তুলে লালজি ট্যান্ডকে চিঠি লিখে ছিলেন কমল নাথ। তার উত্তরে রাজ্যপাল বলেন মুখ্যমন্ত্রী চিঠির ভাষা অগণতান্ত্রিক ও আস্থভোট পিছিয়ে দিতে যে সব কারণ দেখানো হয়েছে তা ভিত্তিহীন। পাশাপাশি কমল নাথে আচরণ সংসদীয় নিয়ম বহির্ভূত বলেও উল্লেখ করেছেন রাজ্যপাল। চিঠির শেষে মঙ্গলবারের মধ্যে শক্তিপরীক্ষা দেওয়ার কথাও বলেছেন। 

আরও পড়ুনঃ করোনা থেকে বাঁচতে বাড়িতে তৈরি করুন স্যানিটাইজার, উপায় বললেন রামদেব

বর্তমানে জটিল পরিস্থিতি মধ্যপ্রদেশে। ২৩০ আসনের মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় এই মুহূর্ত সদস্য সংখ্যা ২৩৩। সরকার গঠনের যাদু সংখ্যা ১১২। নিজের দলের ১০৮ জন বিধয়কের পাশাপাশি ৭ নির্দল বিধায়কের সমর্থন ছিল কংগ্রেসের দিকে। কিন্তু ২২ জনের বিধায়ক পদত্যাগ করায় রীতিমত সমস্যায় মধ্যপ্রদেশ সরকার। বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ১০৭। সংখ্যার বিচারে কংগ্রেসের থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেরুয়া শিবির।