আগামী এক বছরের নতুন কোনও প্রকল্প নয়ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকেরঅনুমোদিত প্রকল্পেও ব্যয় বরাদ্দ স্থগিত নিয়ম বহির্ভূত খরচের জন্য প্রয়োজন অনুমতি

আগামী দিনে কেন্দ্র কী ব্যয় সংকোচনের দিকে হাঁটছে? কিছুটা হলেও তেমনই ইঙ্গিত দিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের ঘোষণা। 
আগামী এক বছরের জন্য নতুন কোনও সরকারি পরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে না। শুক্রবার ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত প্রকল্পগুলির বরাদ্দও আগামী এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা হচ্ছে। ৩১ মার্চ ২০২১, পরবর্তী নির্দেশিকা জারি না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন এই সময়কালে শুধুমাত্র, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্যাকেজ ও আত্মনির্ভর ভারত প্যাকেজের জন্যই অর্থ বরাদ্দের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। আগামী এক বছরের জন্য অন্য কোনও প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রকের একটি নোটে বলা হয়েছে নতুন নিয়মের বাইরে খরচের জন্য অধিদফতরের অনুমতি প্রয়োজন। অর্থমন্ত্রকের এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট সমস্ত মন্ত্রকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে নতুন প্রকল্পের জন্য অর্থ মন্ত্রককে অনুরোধ পাঠান বন্ধ করা হোক। 

'করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিথিল হচ্ছে লকডাউনের নিয়ম', সমালোচনা রাহুলের ...

লকডাউনে ফাঁক থাকায় করোনা সংকট কমেনি ভুল পথে চালিত হয়েছি, মন্তব্য শিল্পপতি রাজীব বাজাজের ...

নিজামুদ্দিনকাণ্ডের রেশ, ১০ বছরের কালো তালিকাভুক্ত প্রায় ২ হাজার তাবলিগি জামাত সদস্য ...

অর্থমন্ত্রকের একটি নোটে এও বলা হয়েছে করোনাভাইরাস জনিত মহামারীর কারণে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের কাছে অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। উদীয়মান ও পরিবর্তন পরিস্থিতি বিবেচনা করে সংস্থানগুলি ব্যবহার করা প্রয়োজন। 


কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্ত যেদিন ঘোষণা হয়েছে সেদিনই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ২৬ হাজারেরও বেশি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮৫১ জন। যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড। করোনা আক্রান্তের তালিকায় ভারতের স্থান সপ্তম। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।