চলতি বছরের হিসাব বলছে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২,০৫০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। এইভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জেরে এখনও পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করল কেন্দ্র। 

এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের এর মুখপাত্র বলেন, কেন্দ্রের তরফে ইসলামাবাদের কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছে ২০০৩ সালের যুদ্ধবিরতি নীতি মেনে চলার জন্য। এদিন মুখপাত্রের তরফে আরও বলা হয় যে, তাঁরা বারংবার পাকিস্তানকে বলেছে ২০০৩ সালের যুদ্ধবিরতি নীতি অনুসারে সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। এমনকী এও বলা হয় যে, পাকিস্তানের তরফে অকারণে এই হিংসাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে যতটা বেশি সম্ভব সংযম বজায় রাখা হয়েছিল। 

বঙ্গে রামের পা পড়েছে উন্নয়ন হবেই, মুখ্যমন্ত্রীকে 'লঙ্কিনি' বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি বিধায়ক

'তাঁদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ছাড়া মানবজাতির অগ্রগতি অসম্পূর্ণ', ইঞ্জিনিয়ার্স ডে বললেন নরেন্দ্র মোদী

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে নাম না করেই কি কেন্দ্রকে তোপ মমতার, টুইট করে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

সদ্য হারিয়েছেন ছেলেকে, বিধবা পুত্রবধুর ফের বিয়ে দিয়ে মানবিকতার নজির গড়লেন শাশুড়ি

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই জাতিসঙ্ঘের বৈঠকে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল পাকিস্তান। এমনকী ভারতের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও আনে পাকিস্তান। পাকিস্তানের এই অভিযোগকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে ভারতের তরফে জানানো হয় যে, পাকিস্তানি সেনারা যেভাবে অকারণে যুদ্ধরীতি লঙ্ঘন করছে এবং আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছে, তাতে করে বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগের।