ঝুলি থেকে বের হল বেড়াল। জানা গেল, শুধু রাহুল গান্ধীর মন্তব্যই নয়, রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে লেখা চিঠিতে খোদ বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরের বক্তব্যকেও হাতিয়ার করেছে পাকিস্তান। ফলে বুধবার সারাদিন রাহুলের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে সহায়তাকরার অভিযোগ করার পর এখন বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর গত ১০ অগাস্ট হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর বলেছিলেন, 'কাশ্মীরি মেয়েদের এখান থেকে বিয়ে করে এখানে নিয়ে আসা যাবে'। রাষ্ট্রসংঘে লেখা ৭ পাতার চিঠিতে এই মন্তব্যও তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের মানবাধিকার মন্ত্রী শিরীন মাজারি। পরে খট্টর তাঁর ওই মন্তব্যকে মজা করে বলা দাবি করলেও, ভারতবর্যের একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরণের মন্তব্যই কাশ্মীরিদের প্রতি ভারতের বিজেপি সরকারের মনোভাবকে পরিষ্কার করে দিয়েছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান।

আরও পড়ুন - কাশ্মীরি মেয়েদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব মমতার

আরও পড়ুন - তৈরি হচ্ছে বিকাশের নীল নকশা! কাশ্মীরের জন্য মোদী গড়লেন পঞ্চপাণ্ডবের দল

আরও পড়ুন - কাশ্মীর নিয়ে এত কান্নাকাটি কীসের, লে-তে গিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব রাজনাথ

আরো পড়ুন - ক্রমে বাড়ছে উত্তেজনা, শীঘ্রই শুরু ভারত-পাক 'শেষ যুদ্ধ'! দিন-ক্ষণ জানালেন মন্ত্রী, দেখুন ভিডিও

এর আগে এই মাসের শুরুতে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, জম্মু কাশ্মীরে সব কিছু ঠিকঠাক চলছে না বলে জানিয়েছে বিদেশী সংবাদমাধ্যমগুলি। তিনি দাবি করেছিলেন কাশ্মীর উপত্যকায় ঠিক কী ঘটছে তা দেশবাসীকে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় সরকার।

তাঁর এই মন্তব্য পাকিস্তানের পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে বলে বিজেপি বুধবার সারাদিন রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেছে। চাপের মুখে রাহুল জানান, তিনি সবসময়ই মনে করেন কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়। যদিও বিজেপি তাকে রাহুলের 'ইউটার্ন' বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু মনোহরলাল খট্টরের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকে এই বিষয়ে মুখ বন্ধই রেখেছে বিজেপি নেতৃত্ব।