RAHUL ON LPG: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৯৯৩ টাকা বাড়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ভোটের পরেই যে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে, সে কথা তিনি আগেই বলেছিলেন। রাহুলের দাবি, গত তিন মাসে দাম বেড়েছে ৮১ শতাংশ। 

বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুক্রবার বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে অনেকটা বেড়ে যাওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের পরেই যে দেশে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়বে, তা আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি পোস্টে গান্ধী বলেন, বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একদিনে ৯৯৩ টাকা বেড়েছে। তাঁর মতে, "এটা একদিনে হওয়া সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি।" তিনি আরও দাবি করেন যে, ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দাম বেড়েছে ১,৩৮০ টাকা। তাঁর কথায়, তিন মাসে এই বৃদ্ধি প্রায় ৮১ শতাংশ।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে রাহুলের প্রতিক্রিয়া

এক্স-এ তিনি পোস্ট করেন, "আমি তো বলেইছিলাম – ভোটের পরেই মুদ্রাস্ফীতির আঁচ টের পাওয়া যাবে। আজ বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯৯৩ টাকা বেড়ে গেল। একদিনে এটাই সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি। এটা আসলে ভোটের বিল। ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ১,৩৮০ টাকা বেড়েছে – মাত্র ৩ মাসে ৮১% বৃদ্ধি।"

ক্ষুদ্রব্যবসায়ীদের জন্য আক্ষেপ রাহুলের

রাহুল বলেন, এই দাম বাড়ার ফলে চায়ের দোকান, ধাবা, হোটেল, বেকারি এবং মিষ্টির দোকানের মতো ছোট ব্যবসাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর প্রভাব সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়বে। তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, গ্যাসের পর এবার পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বাড়তে পারে।

"চায়ের দোকান, ধাবা, হোটেল, বেকারি, মিষ্টির দোকান – সবার রান্নাঘরের ওপর বোঝা বাড়ল। আর এর প্রভাব আপনার প্লেটেও পড়বে। প্রথমে গ্যাসের ওপর আঘাত, এরপর পেট্রোল-ডিজেলের ওপর," তিনি দাবি করেন।

এর আগে মঙ্গলবারও রাহুল গান্ধী একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরালা, পুদুচেরি এবং তামিলনাড়ুতে ভোট শেষ হলেই মোদী সরকার পেট্রোপণ্যের দাম বাড়াবে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে এবার মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়তে হবে।

এক্স-এ করা একটি পোস্টে তিনি বলেন, "ভোটের ছাড় শেষ, এবার মুদ্রাস্ফীতির আঁচ আসছে! ২৯ এপ্রিলের পর দেখুন – পেট্রোল, ডিজেল, সবকিছুই দামি হয়ে যাবে। যখন তেল সস্তা ছিল, মোদী সরকার লাভ নিজেদের পকেটে ভরেছে। এখন যখন দামি, তখন বোঝাটা আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দেবে। এমন একটা সরকার, যারা সস্তার সময় লুট করে, আর মুদ্রাস্ফীতির বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়।"