গত দুদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টির জেরে কার্যত বানভাসি মুম্বই। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে মুম্বইতে দু'দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কার্যত রেকর্ড করেছে।  গত দশ বছরে কার্যত এই পরিমাণ বৃষ্টিপাত দেখেনি মুম্বই। ইতিমধ্যেই পুণেতে দেওয়াল ধসে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ২২ জনের। আহতও বেশ কিছু মানুষ।

বৃষ্টিপাতের জেরে ব্যহত হয়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। ট্রেনলাইন ডুবে গিয়ে রেল চলাচলও কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রেল পরিষেবা। পরিষেবা অচল হয়ে পড়ায় বাতিল করা হয়েছে একাধিক চ্রেন। কিছু কিছু ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কিছু কিছু ট্রেনের যাত্রাপথও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। 

শালিমার এলটিটি এক্সপ্রেস-এর যাত্রাপথ খান্ডোয়ার কাছে যাত্রা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, এবং এলটিটি শালিমার এক্সপ্রেস হিসাবে ভুসাভাল থেকে যাত্রা করবে। নাগপুর মুম্বই দুরন্ত এক্সপ্রেস নাসিক রোডের কাছে যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। হাওড়া জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস লাগাতপুরির কাছে যাত্রাপথে সংক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেকেন্দ্রাবাদ মুম্বই দেবগিরি এক্সপ্রেস নাসিক রোডের কাছে যাত্রা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, এবং নাসিক রোড থেকে মুম্বই-সেকেন্দ্রাবাদ দেবগিরি এক্সপ্রেস নামে চলবে। সেইসঙ্গে বাতিলও করা হয়েছে একগুচ্ছ ট্রেন। 

মুম্বইতে প্রবল বৃষ্টির জের, রানওয়েতে পিছলে গেল বিমান

ভারী বর্ষণে দেওয়াল ধসে মুম্বইতে মৃত অন্তত ২০, ছুটি ঘোষণা সরকারের

বাতিল হওয়া ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে, মুম্বই-পুনে মুম্বই ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস, রত্নগিরি- দাদার রত্নগিরি প্যাসেঞ্জার ইত্যাদি। ট্রেনের পাশাপাশা বাতিল করা হয়েছে একাধিক বিমান পরিষেবাও। অনেক বিমান সময়ের চেয়ে খানিকটা দেরিতে চলছে। বৃষ্টির জেরে রানওয়েতে পিছলে যাওয়ার ঘটনায় মুম্বই বিমানবন্দরের প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে বলেও খবর।