সোমবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরে ৪.৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার কেন্দ্রস্থল ছিল বুদগাম জেলা। একই দিনে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও ৪.৬ মাত্রার একটি মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। 

সোমবার সকালে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস-র দেওয়া তথ্য অনুসারে, ভোর ৫.৩৫ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। সে সময় অধিকাংশ মানুষ ছিলেন ঘুমের মধ্যে। তবুও কম্পনের মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে সকলে বাইরে বেরিয়ে আসেন। সে সময় রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৮। অন্যদিকে, একই দিনে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয় আন্দামানে। তবে, আপাতত মেলেনি কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি অনুসারে, সোমবার সকালে আন্দামান ও নিকোবর দীপপুঞ্জে আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভোর ৩.৩১ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয়। যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৬। এর কেন্দ্রস্থল ছিল নিকোবর অঞ্চলের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল জম্মু কাশ্মীরের বুদগাম জেলা। মাটির ১০ কিমি নীচে, ৩৩.৯ ডিগ্রি উত্তর এবং ৭৪.৭৬ ডিগ্রি পূর্ব অক্ষাংশে ছিল এর উৎসস্থল। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে মাত্র ৪ কিমি দক্ষিণে চরার-ই-শরিফ, ১৩ কিলোমিটার পূর্বে পুলওয়ামা এবং ২১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শ্রীনগর। এই সমস্ত অঞ্চল-সহ শোপিয়ান ও আশেপাশের অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়।

সংবাদ সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে জানলা এবং দরজা ঝাঁকুনি দেওয়ায় আতঙ্কে মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। চারিদিকে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। তবে কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। এমনকী, প্রকাশ্যে আসেনি কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ জানুয়ারি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের লেহ জেলায় ৫.৭ মাত্রার একটি ভূমিকল্প আঘাত এনেছিল। কম্পনটি ১৭১ কিমি গভীরে হয়েছিল। যার অক্ষাংশ ছিল ৩৬.৭১ ডিগ্রি এবং দ্রাঘিমাংশ ছিল ৭৪.৩২ ডিগ্রি পূর্ব। প্রসঙ্গত, আন্দামান ও নিকোবর দীপপুঞ্জ বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি। এর আগেও এই অঞ্চলে ভূমিকম্পের খবর এসেছে প্রকাশ্যে। এবার ফের কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভোর ৫.৩৫ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয় সেখানে।