বিশাখাপত্তনমের এলজি পলিমার কারখানা থেকে নির্গত হয়েছিল স্টাইরিন  গ্যাস। এই গ্যাস খুবই ক্ষতিকর। কিন্তু এই বিষাক্ত গ্যাসের হাত থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকটি উপায় বার করেছে পুলিশ। অন্ধ্র প্রদেশের পুলিশের ডিজিপি আগেই বলেছিলেন অস্বস্তি দূর করতে প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। আবার অন্ধ্র প্রদেশে পুলিশের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশাখাপত্তনমের গ্যাস কারখানা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়ে বলা হয়েছে হাত পা চুলকায় বা জ্বালা করে বা ত্বকের কোনও রকম সমস্যা দেখা দেয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে  সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। আর শরীর থেকে গ্যাসের প্রভাব দূর করতে দুধ কলা আর গুড় খান।

আরও পড়ুনঃ 'সংকীর্ণ রাজনীতি বন্ধ করুন' সনিয়াকে চিঠি রেলের কর্মী সংগঠনের, সাধ্যমত চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি ...

আরও পড়ুনঃ বিশাপত্তনমের কারখানা নির্গত হওয়া স্টাইরিন গ্যাস বিস্ফোরণে সক্ষম, কতটা ক্ষতিকর এই গ্যাস ...

বিশাপত্তনমের কারখানা থেকে নির্গত হয়েছে স্টাইরিন গ্যাস। যা খুবই মারাতক্মক বলেই দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু দুধ, কলা বা গুড়ে তার প্রভাব কতটা কাটবে তা নিয়ে রীতিমত প্রশ্ন তুলেছেন একদল চিকৎসক। কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন দুধ, কলা আর গুড় খেয়ে সাময়িক স্বস্তি পেলেও এলজি পলিমার কারখানা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের নিয়মিত চিকিৎসা করার প্রয়োজন রয়েছে। এই গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ ভারী বাতাস, ঝাঁঝালো গন্ধ আর চোখ জ্বালা করা, একরাশ আতঙ্ক আর অস্বস্তি নিয়েই বেরিয়ে পড়েছিলেন ওঁরা ...

আর অন্যদিকে গুজরাতের কাছ কারখানা মোরামতি করতে ৫০০ কেজি প্যারা টেরিয়ারি বুটেল ক্যাটেকল বা পিটিবিসি চেয়েছিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগমোহন রেড্ডি। দমন থেকে এই রাসায়নিক এয়ারলিফট করে নিজের রাজ্যে আনার কথাও তিনি জানিয়েছেন। সূত্রের খবর কারখানা মেরামতিতে এই রাসায়নিক অত্যান্ত জরুরী বলেও তিনি দাবি করেছিলেন। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন  সরকার সকড় পথে সেই রাসায়নিক তাঁরা দমনে পাঠিয়ে দেবেন।  প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন। আর দমন থেকেই রাসায়নিক এয়ার লিফট করবে অন্ধ্র।