বাংলাদেশে ফের এক সংখ্যালঘু যুবককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ২৮ বছর বয়সী অটোচালক সমীর দাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে খুন করে তার অটোরিকশাটি ছিনতাই করা হয়। এই ঘটনাটি দেশে সংখ্যালঘুদের উপর সাম্প্রতিক ধারাবাহিক আক্রমণের অংশ, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

ফের খবরে বাংলাদেশ। একের পর এক সংখ্যালঘুকে খুনের অভিযোগ উঠছে সেখানে। এবার ফের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু যুবক খুনের ঘটনা সামনে এল। ২৮ বছরের সমীর দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবার সন্ধ্যায় একজল হামলাকারী সমীর দাস নামে ২৮ বছর বয়সী অটোচালককে পিটিয়ে এবং ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ। তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।

সমীর ছিল কার্তিক কুমার দাস ও রিনা রানী দাসের বড় ছেলে। দাগনভূইয়াঁর এক পুলিশ আধিকারিকি বলেছেন, সমীরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুরিয়ে এবং পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকাবে এটিকে একটি পূর্বপরিকল্পতি হত্যাকাণ্ড মনে করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধীরা একটি অটোও লুট করে। পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে।

১৭ কোটি জনসংখ্যার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ইসলামপন্থী শক্তিগুলোর পুনরুত্থানের ফলে হিন্দু-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে উদ্বেগের জন্ম নিয়েছে। সেখানে মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশেরও কম।

কদিন আগে পর পর দুই যুবককে খুন করা হয়েছে। চুরির সন্দেহে ধাওয়া করা একদল জনতার হাত থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ দিয়েছিলেন ওই যুবক। জলে ঢুবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ২৫ বছরের ওই যুবকের নাম মিঠুন সরকার। তিনি ভান্ডারপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনাটি নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর এলাকায় ঘটেছে। বাংলাদেশ পুলিশ মঙ্গলবার বিকেলে খাল থেকে মিঠুনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তার আগে নরসিংদি জেলায় এক মুদি দোকানিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল অজ্ঞাপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম শরৎমণি চক্রবর্তী। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গভীর রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।