ইউরোপে করোনা আক্রান্ত দেশগুলির মধ্যে প্রথমের সারিতে রয়েছে ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ২০ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। তবে এর মধ্যেই ভাল খবর শুললেন ব্রিটেনবাসী। করোনাভাইরাসকে পরাস্ত করে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে ফিরলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

চলতি মাসের শুরুতেই করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এরপরেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের ফ্ল্যাটে সেলফ আইসোলেশনে চলে যান তিনি। কিন্তু শারীরিক অবস্থার ক্রমে অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভর্তি করতে হয় লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে।

সাহসিকতায় ফের নজির গড়ল নারীশক্তি, আমেরিকার মত ব্রিটেনেও প্রথম ভ্যাকসিন নিলেন এক মহিলা

সামাজিক দূরত্বের বিধি মানতে হবে ২০২২ পর্যন্ত, আগামী শীতে ফের মাথাচাড়া দেবে ভাইরাস

পরীক্ষায় ব্যর্থ করোনা রুখতে প্রথম নির্মিত ওষুধ 'রেমডেসিভির', 'হু'-এর রিপোর্ট ঘিরে শোরগোল

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় তাঁকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে দিতে হয়। ৩ রাত আইসিইউতে কাটানোর পর লেবার পার্টির নেতা জনসনকে দেওয়া হয় রিকভারি ইউনিটে। টানা ১০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা চলার পর ১২ এপ্রিল বরিসকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতদিন লন্ডনের বাইরে চেকার্সে ব্রিশামে ছিলেন তিনি। 

রবিবার ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবেন ফিরেছেন তিনি। আর সোমবার থেকেই তিনি কাজে ফিরছেন বলে জানা যাচ্ছে। করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ার পর ডাউনিং স্ট্রিটে পুরো দমে অফিস করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। 

এতদিন বরিসের পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব। এদিকে লকডাউনের কারণে ক্রমেই মুখ থিবড়ে পড়ছে। দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পরপরই ৫৫ বছর বয়সী জনসনকে লকডাউনের কারণে বিপর্যয়ে পড়া অর্থনীতি নিয়ে তীব্র চাপ সামলাতে হবে। বিশ্বজুড়ে মহামারি সৃষ্টি করা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে  জনসন মার্চের শেষ দিকে যুক্তরাজ্যজুড়ে লকডাউন জারি করেছিলেন। বর্তমানে দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা  দেড় লক্ষ ছাড়িয়েছে।