Pakistan On Terror Attack: কাশ্মীরের মিনি সুইজারল্যান্ড পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা। নৃশংস এই ঘটনায় জঙ্গিদের হাতে খুন হতে হয়েছে ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে। তারপর থেকেই অ্যাকশন মোডে ভারত। এবার কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা নিয়ে মুখ খুললেন সেদেশের এক মন্ত্রী।             

Pakistan On Terror Attack: কাশ্মীরের মিনি সুইজারল্যান্ড পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা। নৃশংস এই ঘটনায় জঙ্গিদের হাতে খুন হতে হয়েছে ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে। তারপর থেকেই অ্যাকশন মোডে ভারত। এবার কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা নিয়ে মুখ খুললেন সেদেশের এক মন্ত্রী। বললেন, 'তিন দশক ধরে জঙ্গি চাষ করছে পাকিস্তান'। এমনটাই দাবি করেছেন পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুক্রবার ব্রিটেনের এক সংবাদ মাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে তাঁর কাছে জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ''আমরা গত তিন দশক ধরে এই নোংরা কাজ করে আসছি।'' এখানেই শেষ নয়, আমেরিকাকে টেনে তিনি আরও বলেন, ''আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশগুলির জন্য তারা তিন দশক ধরে এই জঙ্গি চাষ করছেন।'' তবে নিজের বক্তব্য দ্রুত শুধরে নিয়ে তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি তারা সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত না হতেন বা ৯/১১ হামলায় যোগ না দিতেন তাহলে সারা বিশ্বের কাছে পাকিস্তান অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যেত।

সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ঠাণ্ডা লড়াইয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করেছিল পাকিস্তান। এবং ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে আল-কায়েদার সন্ত্রাসী হামলার পর আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনেও সহায়তা করেছিল ইসলামাবাদ। এমনকি আসিফ দাবি করেন, সোভিয়েতদের বিরুদ্ধে আফগান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদীদের "প্রক্সি" হিসেবে ব্যবহার করেছিল।

শুধু তাই নয়, পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ পহেলগাঁওয়ের গোটা ঘটনার জন্য উল্টে ভারতকেই দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, ভারত পরিকল্পিত ভাবে এটা করে সারা বিশ্বের কাছে পাকিস্তানতে দারুন সঙ্কটে ফেলেছে। এক সাক্ষাৎকারে আসিফ দাবি করেন, লস্কর-ই-তৈবা এখন আর অস্তিত্বে নেই এবং তিনি কখনও "দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট" নামক গোষ্ঠীর নাম শোনেননি—যেটি ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

আসিফ আরও বলেন, "লস্কর একটি পুরনো নাম, এটি আর অস্তিত্বে নেই...। আমাদের সরকার পহেলগাঁও হামলার নিন্দা করেছে। পাকিস্তান তো নিজেই দশকের পর দশক ধরে সন্ত্রাসবাদের শিকার।"

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।