Pakistan Military at Indian Border: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ভারতের সীমান্তে জড়ো হচ্ছে। আনা হচ্ছে সমারাস্ত্রও। 

Pakistan Military at Indian Border: হলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ভারতের সীমান্তে সামরিক জমায়েত অব্যাহত রেখেছে এবং সীমান্তের কাছে বিমান প্রতিরক্ষা এবং কামান ইউনিট মোতায়েন করেছে। বলা যেতে ভারতীয় সীমান্ত রেখার কাছে যুদ্ধের দামামা বাজাচ্ছে পাকিস্থান।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রতিরক্ষা সূত্র এএনআইকে জানিয়েছে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী লোংগেওয়ালা সেক্টর, রাজস্থানের বারনার এলাকার বিপরীতে রাডার সিস্টেম এবং বিমান প্রতিরক্ষা অস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। পাকিস্তান বিমান বাহিনী বর্তমানে একযোগে তিনটি মহড়া পরিচালনা করছে: ফিজা-ই-বদর, লালকার-ই-মোমিন এবং জারব-ই-হায়দারী। এই মহড়াগুলিতে F-16, J-10 এবং JF-17 সহ সমস্ত প্রধান যুদ্ধবিমান বহর নিয়ে করা হয়েছে। এই মহড়াগুলি ২৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে এবং সাব এয়ারবর্ন প্রারম্ভিক সতর্কতা এবং নিয়ন্ত্রণ সিস্টেমে বিমানের অংশগ্রহণ দেখছে।

সূত্র বলেছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্ট্রাইক কর্পসের সদস্যরাও দায়িত্ব নিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আর মহড়ায় অংশ নিচ্ছে।

হাত গুটিয়ে বসে নেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। স্থল সম্পদের সুরক্ষা এবং বিমান ঘাঁটিগুলির পরিধিগত সুরক্ষার জন্য বিমানবন্দর সুরক্ষা বাহিনীও মোতায়েন করেছে। এই ক্ষেত্রে স্থলবাহিনীকে ঢেলে সাজান হয়েছে। চিনের SH-15 হাউইটজারগুলি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা অব্যাহত রয়েছে এবং ইউনিটগুলি সীমান্তের কাছে মোতায়েন করা হচ্ছে। ২২ এপ্রিল পাহলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। ২৩ এপ্রিল ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS) এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং পাহলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার বিষয়ে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়। CCS তীব্র ভাষায় হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে।

CCS-কে ব্রিফিংয়ে, সন্ত্রাসবাদী হামলায় সীমান্ত-পারের সংযোগগুলি তুলে ধরা হয়েছিল। এটি লক্ষ্য করা গেছে যে এই হামলাটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সফলভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নের দিকে এর অবিচল অগ্রগতির পরই করা হচ্ছে। অর্থাৎ যখন কাশ্মীর আর উপত্যকার মানুষ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে তখনই জঙ্গি হামলা করা হয়েছে। সরকার বলেছে যে হামলার জন্য দায়ী সন্ত্রাসবাদীরা এবং এর পিছনে ষড়যন্ত্রকারীরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে । সীমান্ত-পারের সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের মদতের জন্য একটি কঠোর বার্তা পাঠাতে সরকার সিন্ধু জল চুক্তি আপাতত স্থগিত রাখাসহ একাধিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে।