বাংলাদেশের ব্রাক্ষ্মণবেড়িয়ায় এক চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে, যেখানে বিয়ের মেনুতে প্রতিশ্রুত আস্ত খাসি না থাকায় এক জাপানপ্রবাসী বর বিয়ের আসর ছেড়ে চলে যান। বরপক্ষের অভিযোগ, খাবারের থালায় আস্ত খাসি না থাকায় এই অশান্তি শুরু হয়, যার জেরে বর বিয়ে ভেঙে দেন।
বিয়ের মেনু দেখে রেগে আগুন বর। শেষে বিয়ের আসর ফেলে রেখে চলে গেল জাপানপ্রবাসী বর। ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অন্য এক কনেকে বিয়ে করলেন সেই যুবক। এই চমকপ্রদ ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের ব্রাক্ষ্মণবেড়িয়ার তোলাতালা গ্রামে।
জানা গিয়েছে, কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল জলিলের ছেলে জুনায়েদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল আখউড়ার তোলাতালা গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের। সোমবার তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। নিয়ম মতো সঠিক সময়ে বিয়ের আসেন উপস্থিত হন বরপক্ষ।
কিছুক্ষণ পরই হয় সমস্যা। বরপক্ষ ও কনেপক্ষের সকল আত্মীয়দের খাওয়া দাওয়া শেষ হয়। তারপর নিয়ম মেনে বর, বরের ভাই এবং কাকার জন্য বিশেষ থালায় খাবার দেওয়া হয়। বরপক্ষের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও খাবারের থালায় আস্ত খাসি ছিল না। সেই নিয়েই কনের পরিবারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে সেই অশান্তির জেরেই রাশিদার সঙ্গে জুনায়েদের বিয়ে দিতে অস্বীকার করেন কনেপক্ষ। সমস্ত উপহার, খাদ্যদ্রব্য এবং উপঢৌকন-সহ ফিরে যেতে বলা হয় বরপক্ষকে।
এরপর মেয়ের পরিবার আস্ত খাসি দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেন। মেয়ের বাবা জানান, খাবারে আস্ত খাসি না থাকায় বরপক্ষের সঙ্গে অশান্তি হয়। আস্ত খাসি দেওয়ার কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি বলেও তিনি জানান। তাও বিয়ের পর আস্ত খাসি দেওয়া হবে বলে জানান মেয়েপক্ষ। তা সত্ত্বেও বিয়েতে রাজি হননি জুনায়েদ।
এদিকে আবার পরে জুনায়েদ একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে। সেখানে দাবি করেছেন যে, বিয়ের সময়ে তার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতির থেকে ১০ গুণ বেশি টাকা দাবি করা হয়।
এই ঘটনা সকলের নজর কেড়েছে। বিয়ের মেনুতে খাসির মাংস না থাকায় বিয়ের আসর ফেলে রেখে চলে গেল জাপানপ্রবাসী বর। ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের ব্রাক্ষ্মণবেড়িয়ার তোলাতালা গ্রামে।


