শুক্রবার বলিভিয়ার এল অল্টো শহরে বিমান বাহিনীর একটি হারকিউলিস বিমান ভেঙে পড়ে। নতুন ছাপানো নোট ভর্তি বিমানটি একটি ব্যস্ত রাস্তায় ভেঙে পড়ায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হন। 

ফের বিমান দুর্ঘটনা। শুক্রবার বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের কাছে এল অল্টো শহরে ভেঙে পড়ল বিমান। শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় ভেঙে পড়ে বলিভিয়ার বিমান বাহিনীর একটি হারকিউলিস বিমান। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনার কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। ৩০ জন আহত। জানা গিয়েছে, ওই বিমানে প্রচুর টাকা ছিল। সে কারণে বিমান ভেঙে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে টাকা কুড়ানোর জন্য তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা।

বলিভিয়ার প্রতিরক্ষ মন্ত্রক সূত্রে খবর, নতুন ছাপানো বিপুল পরিমাণ নোট নিয়ে বিমানটি এক শহর থেকে অন্য শহরে যাচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথে ঘটে বিপত্তি। ব্যস্ত রাস্তায় ভেঙে পড়ে বিমান। জানা গিয়েছে, সেই সময় রাস্তা দিয়ে প্রচুর যানবাহন যাচ্ছিল। ফলে বেশ কয়টি গাড়ি যাচ্ছিল। তার ওপর বিমান ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। ৩০ জন আহত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই দুর্ঘটনার ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে টাকা কুড়াতে ব্যস্ত এলাকাবাসী। তৈরি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। তবে ঠিক কী কারণে এমন বিমান দুর্ঘটনা ঘটল তা জানা যায়নি।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে বিমানটি রাস্তায় থাকা গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ে। স্থানীয় টেলিভিশনে দেখানো ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানটি রাস্তায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পড়ে আছে। বেশ কয়েকটি গাড়ি চুরমার হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর চারপাশে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা নোট কুড়োতে ভিড় জমে যায়।

বলিভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বিমানটি দেশের ভেতরের অংশে নতুন ছাপানো নোট নিয়ে যাচ্ছিল। তবে, বলিভিয়ানা ডে এভিয়েশন (Boliviana de Aviación) এক বিবৃতিতে জানায়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি তাদের সংস্থার নয়। এখনও পর্যন্ত এটা স্পষ্ট নয় যে দুর্ঘটনার পেছনে মানবিক ভুল নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল।