Tibet Earthquake: প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেন তিব্বতের পিছু ছাড়ছে না। হড়পা বান ও ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি পুরনো হয়ে যাওয়ার আগেই বারবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে হিমালয়ের এই অঞ্চল। বৃহস্পতিবার ফের তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্প হল। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে বারবার ভূমিকম্প হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
KNOW
Tibet Earthquake News: পরপর দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তিব্বত। বৃহস্পতিবার রাতে পরপর দু'বার ভূমিকম্প হয়। প্রথমে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল সাত। এর কিছুক্ষণ পরেই রিখটার স্কেলে পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তিব্বত অঞ্চল। বৃহস্পতিবার রাতেই চিনেও (China) ৫.২ মাত্রার আর একটি ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (National Center for Seismology)। এই সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত আটটা বেজে তিন মিনিটে তিব্বতে সাত মাত্রার ভূমিকম্পটি হয়। অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) পাণ্ডিন থেকে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল কম্পনের কেন্দ্র। ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৭৩ কিলোমিটার গভীরে। এর কয়েক মিনিট পর রাত আটটা বেজে ৪২ মিনিট নাগাদ একই অঞ্চলে ফের পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। অরুণাচল প্রদেশের বাসার থেকে প্রায় ৩২৩ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল এই কম্পনের কেন্দ্র। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে। এ ছাড়াও রাত আটটা ২৯ মিনিটে চিনে ৫.২ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গিয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের পাঙ্গিন থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে ছিল এই কম্পনের কেন্দ্র। এর উৎসস্থলও ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীরে।
অগাস্টে নেপাল-তিব্বতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়
চলতি বছরের অগাস্টে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ হড়পা বান ও ধসে ১৪০০-র বেশি মানুষের মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই কম্পন ঘিরে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অগাস্টে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে নেমে আসা জলস্রোতে নেপালের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বহু বাড়ি ও অন্যান্য নির্মাণ ভেসে যায়। ওই বিপর্যয়ে ১৪০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিব্বত ও চিনে পরপর ভূমিকম্পের খবর সামনে আসায় হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই
বৃহস্পতিবার রাতে তিব্বত ও চিনে একাধিক ভূমিকম্পের জেরে নতুন করে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও তথ্য পাওয়া যায়নি। সকালের আগে হয়তো খবর পাওয়া যাবে না।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।









