ভারত ও চিনের মধ্যে সরাসরি যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা আগামী মাসের মধ্যেই পুনরায় চালু হতে পারে। ২০২০ সালে করোনার কারণে বন্ধ হওয়া এই সেবা প্রায় পাঁচ বছর পর পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারত ও চিনের মধ্যে সরাসরি যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা আগামী মাসের মধ্যেই পুনরায় চালু হতে পারে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ২০২০ সালে করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ হওয়া এই বিমান পরিষেবা প্রায় পাঁচ বছর পর পুনরায় চালু হতে চলেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিমান সংস্থাগুলিকে ভারত সরকারের নির্দেশ

কেন্দ্রীয় সরকার এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগোর মতো বিমান সংস্থাগুলিকে স্বল্প সময়ের নোটিশে চিনে বিমান পরিষেবা শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে বলে জানা গেছে। ২০২০ সালের আগে, এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো, এয়ার চায়না, চায়না সাউদার্ন এবং চায়না ইস্টার্নের মতো দুই দেশের বিমান সংস্থাগুলিই প্রধান শহরগুলির মধ্যে বিমান চালাত।

সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টা

এই বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়া দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে, ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এটিই প্রথম চিনসফর। তিনি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এই মাসে টিয়ানজিন শহরে যাবেন। সেখানে চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সাথে দেখা করারও সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্প্রতি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সহ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা সাংহাই সম্মেলন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চিনসফর করেছেন।

প্রেক্ষাপট

২০২০ সালের শুরুতে করোনা সংক্রমণের কারণে সরাসরি বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। একই বছর লাদাখে সীমান্ত সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। সম্প্রতি, চিনা নাগরিকদের জন্য ভারত পর্যটন ভিসা সহজ করেছে। এই অবস্থায়, বিমান পরিষেবা পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে, এই বিষয়ে আলোচনা এখনও চলছে এবং বিমান পরিষেবা শুরুর তারিখ পরিবর্তন হতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।