চার দেশের উপসাগরীয় সফরের শেষ পর্যায়ে ওমানে পৌঁছলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে তিনি সেখানকার নেতা ও আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে তিনি কুয়েতে গিয়েছিলেন, যেখানে উপসাগরীয় সংকট এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ওমানে পৌঁছেছেন। তাঁকে স্বাগত জানান ওমানের বিদেশ মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল শেখ আহমেদ আল মাসকারি। এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জয়শঙ্কর লেখেন, "আজ ওমানে এসে ভালো লাগছে। ওমানের বিদেশ মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল শেখ আহমেদ আল মাসকারির উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।"

জয়শঙ্কর ৫ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমান—এই চারটি উপসাগরীয় দেশ সফরে রয়েছেন। এই দেশগুলিতে সফরের সময় তিনি সেখানকার নেতা ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো চারটি দেশের সঙ্গেই ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা। পাশাপাশি, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থ জড়িত বিভিন্ন বিষয়ে মত বিনিময় করাও এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।
কুয়েতে জয়শঙ্করের কর্মসূচি
ওমানে আসার আগে, ৯ জুলাই জয়শঙ্কর কুয়েত সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কুয়েতের বিদেশমন্ত্রী শেখ জারাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের সংকট এবং তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। জয়শঙ্কর আশা প্রকাশ করেন যে ভারত-কুয়েত কৌশলগত অংশীদারিত্ব আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে।
এক্স-এ একটি পোস্টে জয়শঙ্কর লেখেন, "কুয়েতের বিদেশমন্ত্রী শেখ জারাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহের সঙ্গে দেখা করে ভালো লাগল। উপসাগরীয় অঞ্চলের সংকটের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রবাসী ভারতীয়দের দেখভালের জন্য আমি কুয়েতকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, খাদ্য সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যখাতে আমাদের সহযোগিতা পর্যালোচনা করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আগামী দিনে আরও মজবুত হবে।"
জয়শঙ্কর কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স সাবাহ আল-খালেদ আল-সাবাহের সঙ্গেও দেখা করেন এবং তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা জানান।
অন্য একটি এক্স পোস্টে জয়শঙ্কর জানান, "আজ সকালে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-সাবাহের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়ে আমি সম্মানিত। আমি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উষ্ণ শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়েছি। দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তাঁর দায়বদ্ধতার আমি প্রশংসা করি। উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মতামত জানানোর জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।" (এএনআই)


