Paris Shooting: দাঙ্গা, লুটপাট, হিংসায় বিধ্বস্ত ফ্রান্সে (France Riots) থমথমে পরিবেশ অব্যাহত। বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও শান্তি ফিরছে না। শুক্রবার ফের প্যারিসের রাস্তায় হিংসা ছড়িয়ে পড়ল। প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি চালানোর ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ল।
KNOW
Paris News: ফ্রান্সে দাঙ্গা (France Riots) পরিস্থিতির মধ্যেই ফের হিংসা ছড়িয়ে পড়ল। শুক্রবার ফরাসি দেশের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে গাড়ি থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে একজনকে খুন করা হল। গুলিতে অন্তত চারজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে পথচলতি মানুষের উপর হামলা চালানো হল, তা স্পষ্ট নয়। প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, ত্রাপ (Trappes) শহরের কাছে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই গুলি চালানোর ঘটনার তদন্ত চলছে। হামলার কারণ জানতে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু (French Prime minister Sébastien Lecornu)। তিনি জানিয়েছেন, 'নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিচার বিভাগের সমস্ত প্রয়োজনীয় সংস্থান এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজে লাগানো হয়েছে। ফ্রান্সের জাতীয় সন্ত্রাসবাদবিরোধী সরকারি কৌঁসুলির দফতরও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।'
ফ্রান্সে ফের হিংসার আশঙ্কা
জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে শনিবার ফের ফ্রান্সে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। এই বিক্ষোভ থেকে ফের হিংসা ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহের হিংসাত্মক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবার আগেভাগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে সরকার। মোতায়েন করা হচ্ছে অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে একাধিক বড় সংগ্রহশালা ও জাদুঘরও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার প্যারিসের উপকণ্ঠে গুলিচালনার ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। তবে এই হামলার সঙ্গে আসন্ন বিক্ষোভের কোনও যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। তদন্তের পরেই হামলার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চাপে ফরাসি সরকার
হিংসা থামাতে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। হিংসাত্মক পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম অবস্থা ফরাসি সরকারের। শনিবারের বিক্ষোভের আগে সরকারের উপর চাপ বাড়ছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


