- Home
- World News
- International News
- Hormuz Strait: হরমুজ প্রণালীতে ইরানের 'তোলাবাজি'! 'ফল ভালো হবে না', হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
Hormuz Strait: হরমুজ প্রণালীতে ইরানের 'তোলাবাজি'! 'ফল ভালো হবে না', হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
Trump Warning: হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তেলের ট্যাঙ্কার থেকে ইরান টাকা নিচ্ছে বলে খবর। এই নিয়ে তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান যেন এই কাজ না করে, আর করে থাকলে এখনই বন্ধ করে।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তেলের ট্যাঙ্কার থেকে ইরান টাকা আদায় করছে বলে খবর পেয়েছেন তিনি। এই নিয়ে তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের বার্তা
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, "শোনা যাচ্ছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ট্যাঙ্কারগুলোর থেকে ইরান নাকি টাকা নিচ্ছে। ওদের এমনটা না করাই ভালো। আর যদি করেও থাকে, তাহলে এখনই বন্ধ করা উচিত!"
ইরানকে যুদ্ধ বিরতির কথা মনে করিয়ে দেন ট্রাম্প
অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার যেতে দেওয়ার ক্ষেত্রে "খুব খারাপ কাজ করছে"। অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "কেউ কেউ তো এটাকে লজ্জাজনকও বলবে। আমাদের মধ্যে কিন্তু এমন চুক্তি হয়নি!"
হরমুজ নিয়ে ইরানের দাবি
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান বৃহস্পতিবারই জানিয়েছিল যে এই জলপথ পুরোটাই তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মূলত ইরান আর ওমান এই জলপথ নিয়ন্ত্রণ করবে। দৈনিক ১৫টি জাহাজ এই জলপথ দিয়ে পার হবে। তার থেকে বেশি জাহাজ পার হতে দেবে না। হমমুজ পার হতে গেলে টাকা দিতে হবে ইরান আর ওমানকে।
টাকার অঙ্গ
তেহরান সূত্রের খবর, বিটকয়েনের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার পক্ষপাতি ইরান। ব্যারেল পিছু ১ ডলার করে দিতে হবে। তবে যে ব্য়ারেলে তেল থাকবে না তার জন্য টাকা দিতে হবে না। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে টাকার অঙ্ক নিয়ে এখনও কিছু বলেনি।
শান্তি বৈঠক
শুক্রবার সংঘর্ষবিরতির শর্ত খুঁজতে ইরান এবং আমেরিকা মুখোমুখি বসতে চলেছে। বৈঠক হবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। সেখানে মার্কিন প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তাঁর সঙ্গে থাকবেন পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা তথা প্রাক্তন উপদেষ্টা জারেড কুশনার। অন্য দিকে, ইরানের প্রতিনিধিদলে থাকবেন পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। বৈঠকের প্রথম পর্বে যোগ দেবেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ এবং বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারও।
ভেস্তে যেতে পারে যুদ্ধ বিরতি!
ইসলামাবাদে আলোচনার আগেই এই নতুন বিতর্কের ফলে দু'পক্ষের মধ্যেকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি আরও বিপদের মুখে পড়ল।
ইস্যু লেবাননও
এর আগে তেহরান অভিযোগ তুলেছিল যে, ইজরায়েল লেবাননে হামলা করে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তাদের দাবি, লেবাননের যুদ্ধবিরতিও এই চুক্তির অংশ।
কিন্তু ওয়াশিংটন আর ইজরায়েল, দু'পক্ষই জানিয়েছে যে এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের জন্য নয়। এই মতবিরোধের ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং চুক্তি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে।
নেতানিয়াহুর বার্তা
ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়েছেন, "লেবাননে কোনও যুদ্ধবিরতি নেই"। তিনি হেজবোল্লার বিরুদ্ধে "পুরো শক্তি" দিয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, "আমি আপনাদের জানাতে চাই: লেবাননে কোনও যুদ্ধবিরতি নেই। আমরা পুরো শক্তি দিয়ে হেজবোল্লার ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছি এবং আপনাদের নিরাপত্তা ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত আমরা থামব না।"
লেবাননে হামলা
নেতানিয়াহু আরও জানান, তিনি লেবানন সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য মন্ত্রিসভাকে নির্দেশ দিয়েছেন। এর লক্ষ্য দুটি—"হেজবোল্লাকে নিরস্ত্র করা" এবং "একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি" স্থাপন করা।
তিনি বলেন, "লেবানন সরকারের বারবার অনুরোধের পর, গত রাতে আমি মন্ত্রিসভাকে দুটি লক্ষ্য পূরণের জন্য লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি। প্রথমত, হেজবোল্লার নিরস্ত্রীকরণ। দ্বিতীয়ত, ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।"

