Trump on Iran Deal: ইরানের সঙ্গে চুক্তি হতেই আমেরিকার শেয়ার বাজারে রেকর্ড। কমেছে তেলের দামও। বৃহস্পতিবার এমনই দাবি করলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হতেই আমেরিকার শেয়ার বাজারে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে, আর তেলের দামও হু হু করে কমছে। বৃহস্পতিবার এমনই দাবি করলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যালে' একটি পোস্টে তিনি সমালোচকদের একহাত নেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ট্রাম্পের দাবি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, "এই বোকারা ভাবে আমি নাকি ইরানের ওপর যথেষ্ট কড়া ছিলাম না। অথচ দেখুন, শেয়ার বাজার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে আর তেলের দাম কমছে। এরা হয় হিংসুটে, নয়তো খারাপ লোক, অথবা বোকা। আমেরিকাকে আবার মহান করুন!!! প্রেসিডেন্ট ডিজেটি।"

Scroll to load tweet…

ইরান-আমেরিকা প্রাথমিক চুক্তি

এবিসি নিউজের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর বৃহস্পতিবার বিশ্বের শেয়ার বাজারগুলিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভ এই বছর সুদের হার বাড়াতে পারে, এই জল্পনার কারণে বুধবার ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারের দাম পড়েছিল। তবে তার পরে এশিয়ার বাজারে তেজি দেখা যায়। এবিসি নিউজ আরও জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার আমেরিকার ফিউচার মার্কেটে শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং তেলের দাম কমেছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এই চুক্তি একটি বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ। সিএনএন-এর খবর অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ভার্চুয়ালি ১৪-দফা একটি চুক্তিতে সই করেছেন। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে শত্রুতার অবসান ঘটানো, হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দেওয়া এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত ও বিস্তারিত চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করা।

সিএনএন জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ট্রাম্প বুধবার ফ্রান্সে থাকার সময় ব্যক্তিগতভাবে নথিতে সই করেন। অন্যদিকে, পেজেশকিয়ান আলাদাভাবে এতে সই করেছেন। এর ফলে চুক্তিটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

এরপরেই আমেরিকা 'ইসলামাবাদ মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং বিটুইন দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা অ্যান্ড দ্য ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান' নামে চুক্তির সরকারি বয়ান প্রকাশ করে।

মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চুক্তিটি একটি কাঠামো মাত্র। এর উদ্দেশ্য হল অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া, ইরানের মজুত করা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিষয়টি সমাধান করা এবং তেহরানের চুক্তি মেনে চলার ওপর ভিত্তি করে ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার একটি পথ তৈরি করা।

ইরানের প্রেস টিভির খবর অনুযায়ী, সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই নিশ্চিত করেছেন যে ওমান এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনার পরেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে এবং দুই পক্ষই এতে সই করেছে।