উত্তমা সরকার, জলপাইগুড়ি:  লোকালয়ে মরণফাঁদ! বাড়িতে হানা দিতে গিয়ে বিদ্যুস্পৃষ্ঠ হয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল একটি পূর্ণবয়ষ্ক হাতির। ঘটনাস্থল, জলপাইগুড়ির মালবাজারের নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা চা বাগান। বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বনদপ্তর।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে বাঘের হামলায় মৎস্যজীবীর মৃত্য়ু, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি সাহায্য পেল পরিবার

পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা সুন্দরী ডুয়ার্স। জঙ্গলে হাতির অভাব নেই। লোকালয় ঢুকে হাতির দল বাড়িতেও হানা দেয় প্রায়শই। নাগরাকাটার বামনডাঙা চা বাগান লাগোয়া খেরকাটায় এলাকায় থাকেন মফিজুল হক। তাঁর বাড়ির চৌহদ্দিতেই সুপারি বাগান। শনিবার সকালে সেই বাগানে একটি পূর্ণবয়ষ্ক হাতির দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরের খেরকাটা বিট, খুনিয়া রেঞ্জের অফিস ও নাগরাকাটা থানায়। হাতির দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছেন বনকর্মীরা। 

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বাঘের মুখে, ফের হামলার শিকার এক মৎসজীবী

কীভাবে মারা গেল হাতিটি? জানা গিয়েছে, যে বাড়িতে হানা দিয়েছিল হাতিটি, সেই বাড়ির চারপাশে বিদ্যুতের লাগানো ছিল। সেই তারেই বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মারা গিয়েছে অবলা প্রাণীটি। বাড়ির মালিকদের খোঁজখবর শুরু করেছে  বনদপ্তর। কেন বাড়িটি বিদ্যুতের তার দিয়ে ঘিরে রেখেছেন,তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  তদন্তের দোষ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বস্তত, এর আগে এই বামনডাঙা চা বাগানেই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যায় আরও একটি হাতি। বারবার কেন এমন ঘটনা ঘটছে? ক্ষোভে ফুঁসছেন পশুপ্রেমীরা।