খাস কলকাতা থেকে উদ্ধার রয়েল বেঙ্গল বাঘের ছাল। আনন্দ পুর থানা এলাকার ভিআইপি প্যালেজ হোটেল থেকে তিন জনকে গ্রেফতার করে ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো ও ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল সেল এর আধিকারিকরা। ধৃত তিনজনের নাম  অনিন্দ মুখার্জী (৫২) ,তারক হালদার (৫৭)  ,ইব্রাহিম মন্ডল (৪২)  ।সূত্রের খবর, ওই বাঘের ছাল বিক্রির উদ্যেশে নিয়ে আসা হয় ।এই মুহূর্তে তাদের পুলিশের তরফে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন, লেক কালিবাড়িতে ধূমাবতী প্রতিষ্ঠা, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অনিন্দ্য গড়িয়াহাটের বাসিন্দা। আর বাকি দুই পাচারকারী হচ্ছে কসবার তারক হালদার এবং উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের ইব্রাহিম মণ্ডল। গত কয়েকদিন ধরে বনদপ্তরের বন্যপ্রাণ শাখার আধিকারিকরা গোপন সূত্রে খবর পেয়েছিলেন, দক্ষিণ কলকাতায় বাঘের ছাল বিক্রি করার চেষ্টা করছে দুই পাচারকারী। এটা জানতে পেরে ওই আধিকারিকরা ক্রেতা সেজে তারকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফাঁদ পেতে রাখেন। ছালটির  দরদাম শেষ পর্যন্ত ৬ লাখ টাকায় রফা হয়।

আরও পড়ুন, এবার অনলাইনে প্রতারণার শিকার বিখ্য়াত সঙ্গীত শিল্পী, খোয়ালেন ৯৮ হাজার টাকা


সেই কথা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটে নাগাদ ক্রেতা সেজে যান বন দপ্তরের আধিকারিক শুভঙ্কর বাগচি, পৃথ্বীশ ঘোষ, সুজয় সরকার, দিলীপ প্রসাদ। বাইপাসের কাছে পঞ্চান্নগ্রাম এলাকার একটি হোটেলের ঘরে বাঘের ছাল নিয়ে অপেক্ষা করছিল তারক ও তার সঙ্গী ইব্রাহিম। ছালটি কেমন তা দেখার অছিলায় গিয়ে সেটিকে বাজেয়াপ্ত করেন বন দপ্তরের আধিকারিকরা। তারক ও ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ওই বাঘের ছালটি কতটা পুরনো সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে বনদপ্তরের আধিকারিকরা সেটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠিয়েছেন। ধৃতদের জেরা করে আর কেউ জড়িত আছে কি না তাও জানার চেষ্টা চলছে।ধৃত তিনজনকেই আজ শুক্রবার আদালতে তোলা হবে।