দীর্ঘ লকডাউনে রোজগার হারিয়েছেন অনেকেই। যার জেরে খাবার কেনার মত সঞ্চিত অর্থও শেষ। এই পরিস্থিতি অসহায় হয়ে পড়েছে, পর্ণশ্রী থানা এলাকায় গোয়ালা পাড়া অঞ্চলের প্রায় ৫০ টি পরিবার। আর এবার তাদের খাওয়ানোর দায়িত্ব নিল তিন বন্ধু।  এই তিন বন্ধুর পাশে দাড়াল, বালিগঞ্জ ভারত সেবাশ্রম।

 

 

আরও পড়ুন, ভেন্টিলেশনে করোনা আক্রান্ত রাজ্য়ের স্বাস্থ্য কর্তা ও সার্জন, উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর

 উল্লেখ্য়, এই তিন বন্ধুর কারওই আর্থিক অবস্থা ভাল নয়।  এক বন্ধু পেশায় অটোচালক নাম রানা নাথ। তিনি ঠাকুরপুকুর তাড়াতলা  রুটে অটো চালায়। আর দুই বন্ধু দীপঙ্কর সোম ও রজত মন্ডল।  এই দুজনে ছোট প্রাইভেট ফার্মে কাজ করে। সেই কাজও আপাতত খুব ভাল অবস্থায় নেই। কিন্তু লকডাউনে নিজের পাড়ার প্রায় ৫০ টি পরিবারের অসুবিধা দেখে চুপ করে বসে থাকতে পারলো না। তিনজন মিলেই সিদ্ধান্ত নিল তাদের পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু এবার কিভাবে তাঁদের পাশে থাকবে বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিল। কারণ এদের এই ৫০ টা পরিবারকে খাওয়ানোর সামর্থ্য নেই। এরপরই অটোচালক রানা নাথ ও তার বন্ধু  বালিগঞ্জ ভারত সেবাশ্রম এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সেখানে তাদেরকে গিয়ে অনুরোধ করে ৫০ জনের মত খাবার দেওয়ার জন্য।

 

 

আরও পড়ুন, করোনার কোপ এবার বাইপাসের ধারের বস্তিতে, ১৫০০০ মানুষকে পাঠানো হল কোয়ারেনন্টিনে

 

 

 

 


 তারপর থেকে সোমবার নিয়ে আজ প্রায় ১৩ দিন হয়েছে, প্রতিদিন সকাল বেলায় উঠে অটো নিয়ে তিন বন্ধু চলে যায় বালিগঞ্জ ভারত সেবাশ্রম। ৩ থেকে ৪ ঘন্টা পর চলে আসে রান্না করা সুস্বাদু খাবার নিয়ে এবং ৫০ টা পরিবারের হাতে তুলে দেয় সেই রান্না করা খাদ্যসামগ্রী। ভারত সেবাশ্রমের লোকেরাও তাদেরকে বাহবা দিয়েছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন একটাই এদের তিনজনের অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। নিয়ে যেতে গেলে যে জ্বালানি লাগে সেই জ্বালানি স্থানীয় গোল্ডেন ক্লাবের তরফে এদেরকে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিদিন এই কাজ করতে সাংঘাতিক রকম দৈহিক পরিশ্রম হচ্ছে। এছাড়া এদের পরিবারের মধ্যেও করোনা আতঙ্ক রয়েছে। এরা জানেনা আর কতদিন এভাবে কতদিন তাঁরা এটা চালাতে পারবে।

 

 

 

  'হটস্পট' এলাকা থেকে আসায় প্রসুতিকে ফিরিয়ে দিল এনআরএস, চরম যন্ত্রনা নিয়ে ঘরেই প্রসব-মৃত সদ্যোজাত

করোনার কোপ এবার সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে, বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি শীর্ষ স্বাস্থ্যকর্তা

 করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্য়ু ক্যানসার রোগীর,আতঙ্ক ছড়াল রাজারহাটের হাসপাতালে