করোনা রুখতে সবদিক থেকে প্রধানমন্ত্রীর পাশে মুখ্য়মন্ত্রীকে থাকতে অনুরোধ জানালেন  রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার ট্যুইট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এমনই আবেদন রাখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মূলত সংবিধানে কেন্দ্র ও রাজ্যকে একইসঙ্গে উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের কথাও যে বলা রয়েছে,   ট্যুইট করে সেকথাও মনে করালেন রাজ্যপাল। 

আরও পড়ুন, বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া, মেডিক্য়ালে চিকিৎসক ও সংক্রামিত রোগী থেকে কোয়ারেন্টিনে অন্তত আরও ৪৫


বুধবার ট্যুইট করে তিনি বলেন, 'আমাদের গণতন্ত্র দাঁড়িয়ে রয়েছে সংবিধানকে সম্মান দেওয়ার উপর। সংবিধানে বলা হয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্যের উভয়ই গঠনমূলক এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা একই সঙ্গে পালন করার কথা। মুখ্যমন্ত্রী কে অনুরোধ করবো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সহযোগিতা করার জন্য রাজ্যের স্বার্থে।' রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যপালের বুধবারের এই ট্যুইট যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে গত সপ্তাহের একাধিক খোঁচা দেওয়ার বুধবারের টুইট কার্যত সম্পর্ক ভাল করার ইঙ্গিত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 

 

 

 

আরও পড়ুন, অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসতে চলেছে রাজ্য়, কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৪ ডিগ্রি নিচে
 

অপরদিকে, করোনা রুখতে এ রাজ্যে লকডাউন-বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা, খতিয়ে রাজ্যে সোমবার থেকে রয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় দলকে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে প্রতিনিধিদল। যদিও মঙ্গলবার দুপুরে রাজ্যের মুখ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে জটিলতা কেটেছে। এরপরই মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার একাধিক জায়গা ঘুরে দেখে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে অসহযোগিতা করা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে রাজ্যকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আর এদিকে বুধবারই ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশে দাঁড়ানোর আবেদন মুখ্যমন্ত্রীকে করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

 

  করোনা পজিটিভ প্রসূতির সুস্থ সন্তান, খুশির হাওয়া ফুলেশ্বরের হাসপাতালে

  করোনার কোপ এবার বাইপাসের ধারের বস্তিতে, ১৫০০০ মানুষকে পাঠানো হল কোয়ারেনন্টিনে

 ভেন্টিলেশনে করোনা আক্রান্ত রাজ্য়ের স্বাস্থ্য কর্তা ও সার্জন, উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর

  'হটস্পট' এলাকা থেকে আসায় প্রসুতিকে ফিরিয়ে দিল এনআরএস, চরম যন্ত্রনা নিয়ে ঘরেই প্রসব-মৃত সদ্যোজাত