পুলিশকে মারধর করার অভিযোগ হাজতে কাটছে জীবন। তবে পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছেলে জেলে যাওয়ায় পাশে দাঁড়াল প্রশাসন। টিকিয়াপাড়ায় পুলিশকে লাথি মারে জেলে বন্দি সাকির। আপাতত লকডাউনে তার পরিবারের ত্রাতা হয়ে দাড়িয়েছে হাওড়়া সিটি পুলিশ।

ভিডিয়োতে সামাজিক দূরত্ব শিঁকেয়, ফের বিতর্কে টিকিয়াপাড়া !.

টিকিয়াপাড়ার ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, সবাইকে পিছনে ফেলে সাদা উর্দিধারী পুলিশকে পিছন থেকে লাথি মারছে কেউ। পরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অন্য় কেউ নয়, ওই যুবকের নাম সাকির। এমনিতেই করোনা সংক্রমণের রেড জোনে নাম রয়েছে হাওড়ার। সেখানে ঘটনার দিন টিকিয়াপাড়ার বেলিলিয়াস রোড চত্বর ছিল জমজমাট। ফাঁকা রাস্তায় ক্রিকেট খেলা থেকে শুরু করে, রাস্তার পাশের ঘুপচি দোকানে বিরিয়ানি খাওয়া ও সঙ্গে দেদার আড্ডাও চলছিল রমরমিয়ে। পুলিশ কিছু বলতেই এগিয়ে  আসে উত্তেজিত  জনতা। 

প্রধানমন্ত্রীর গরিব কল্যাণ যোজনার বিনামূল্যে রেশন পাক রাজ্য়বাসী, ফের রাজ্য়পালের টুইট ঘিরে বিতর্ক

পরে পুলিশকে লক্ষ্য় করে চলে ইট পাটকেল ছোড়া। যাতে আহত হন দুই পুলিশ কর্মী। মাথা ফাটে দুজনের। পরে ঘটনার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পরে পুলিশকে লাথি মারার ঘটনায় স্থানীয় যুবক সাকিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীকে মারধরের অভিযোগে সাকিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী সাকিরের যা শাস্তি হওয়ার তা হবে। তবে সাকিরের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তাঁদের কাছে এই খবর আসতেই গরিব ওই পরিবারটিকে সাহায্য করা হচ্ছে। পুলিশের তরফ থেকে ইতিমধ্য়েই ওই পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, আটা তুলে দেওয়া হয়েছে ।

সংসদে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কী বলেছিলেন, করোনা নিয়ে মহুয়াকে পাল্টা বিদ্বজ্জনদের.

এদিকে রবিবারই ফের একটি ভিডিয়ো ঘিরে নাম জড়িয়েছে টিকিয়াপাড়ার। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, লকডাউনের মধ্য়েই সামাজিক দূরত্বকে বুড়ো আঙুল দেকিয়ে একটি মিছিল হচ্ছে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডে। যার আগে রয়েছে খোদ পুলিশের গাড়ি। তবে এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি পুলিশ।